ইনসমনিয়া, ফ্রয়েডীয়তা, কালবেলা , পাভলভ এবং অনেকদিন পর একটা গদ্য | অমিত চক্রবর্তী
ইনসমনিয়া, ফ্রয়েডীয়তা, কালবেলা , পাভলভ এবং অনেকদিন পর একটা গদ্য
০১
ইনসমনিয়া! আমার কলেজে সেকেণ্ড ইয়ারের ক্লাস শুরু হতো সেকেণ্ড হাফে মানে দুপুর ১ টায়।সেই কলেজ সেকেণ্ড ইয়ার থেকেই ইনসমনিয়া নিত্যসঙ্গী।রাত না কাটলে ঘুমাতে খুব মায়া লাগে।মনে হয় কি জানি মিস হয়ে গেল।কি জানি দেখা হলো না।এই মায়াসংক্রান্তু কারণেই আর ঘুমানো হয় না।রাতে আমি আমার ঘরে প্রায়শই একটা পায়ের আওয়াজ শুনি।তবে কোনোদিন ঘাবড়াই নাই।কারণ ঐ ব্যক্তি আমার পরিচিত, জনাব ফ্রয়েড। রাত জাগা মানেই ফ্রয়েড সাহেব কিছুসময় পায়চারি করে জানায়া দ্যান যে উনি বহাল তবিয়তেই আছেন।মূলত ১২ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত ১০ টা বেনসন, গোটা ত্রিশেক গান আর এই বর্গাকার সতেরো ইঞ্চি মনিটর- এইগুলোই আমার রাত্রিজাগরনের রসদ।রাতে যে জিনিসটা নিয়ে ইদানীং খুব চিন্তা করি সেটা হলো জ্যোৎস্না ও যৌনতার সম্পর্ক।কখনো মনে হয় জ্যোৎস্না আসলে একটা পিস্তল যার ভেতরে যৌনতা নামক কার্তুজ ভরা থাকে।যৌনতাকে একটা কামরা বলেও ভ্রম হয় যার ভেতর একমাত্র কিছু অনধিকার চর্চাকারী ট্রেসপাসিং জ্যোৎস্নারই ঢুকার সাহস আছে।এইসবই আসলে ফ্যান্টাসী তবুও ভালো লাগে এইগুলা।
রাত আছে বলেই বেঁচে থাকার কিছু তাৎপর্য আছে-অন্তত আমার কাছে।
০২
আমার ঘরের জানলা বরাবর একটা রেমব্রান্ট আছে।অবশ্যই কপি করা জিনিস এবং অবশ্যই এটা আত্মপ্রতিকৃতি।বাবা সিংগাপুর থেকে কিনেছিলেন আমার রিকোয়েস্টে।রাতের যে গতি আছে এই ছবি থেকে আমি খুব বুঝতে পারি।রাতের নিজস্ব প্যাটার্নগুলো, ফ্লোগুলো এই ছবিতে ধরার চেষ্টা করি।মাঝে মাঝে এইসব কোনেক কবিতায় এইভাবে ঢুকে যায় – “দেয়ালচিত্রের ভেতর অনর্গল ভেসে যায় আমাদের প্রমিত
রাতের স্রোত”।কবিতা লিখাও তো এক একসময় ব্লাসফেমি হয়ে যায়।কারণ কবিরা যেহাতে কবিতা লেখে, সেইহাতেই তো স্বমেহন করে।চুড়ান্তবিচারে অবশ্য জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা একটা ব্লাসফেমিই যাপন করি।হু কেয়ারস!
এই অনুচ্ছেদটা কবি আন্দালীবের একটা ইনসমনিয়া বিষয়ক অসাধারণ পঙ্কতি দিয়ে শেষ করতে চাচ্ছি।
০২:৩৭
অসফল সঙ্গমের শোক বুকে চেপে ঘুমিয়ে পড়েছে যারা
অনিদ্রারোগীর আকুলতা এর চেয়ে তো বেশী কিছু আর নয়!
ফ্রিজিয়াম! ওহ ফ্রিজিয়াম!
মরফিয়াসের চোখের গভীরে দেখি নিস্তরঙ্গ আমার শহরখানি ডুবে যায়!
( মধ্যযাম থেকে কয়েকছত্র-আন্দালীব)
যখন এইরকম কোন পঙ্কতির মুখোমুখি হই তখন মনে হয় যে কবিতার মধ্যেও আমাদের এই যাপনের নিগুঢ কোন সত্য লুকিয়ে থাকে।কবিতা একসময় ব্লাসফেমি ও অন্যান্য ক্লীবতা অতিক্রম করে।কবিতা একসময় সত্যিকার শৈলী হয়ে উঠে।
০৩
সম্প্রতি আবার কালবেলা পড়া হয়েছিলো। কালবেলা পড়তে পড়তে সমরেশের উপর খুব বিরক্ত হয়ে গেলাম হঠাৎ। হঠাৎ মনে হল শরৎচর্চা করতে করতে এই যে এক মাধবীলতা’কে তিনি সৃষ্টি করলেন, তিনি কি একবার ভাবেননি ঘাম-কাম-লোভ-কাদায় গড়া মানুষ একসময় এই মাধবীলতাকে প্রত্যাখান করবে।মানুষ নিজে যা হতে পারেনা তাকে সবসময়ই প্রত্যাখ্যান করে।আমি কিশোরকালে পাঠের সময় যে বারবার মাধবীলতাকে মনে মনে আঁকতাম, যার ছবিগুলোতে শেষ পর্যন্ত শুভ্রতা ছাড়া আর কিছু দেখা যেত না, মাধবীলতাকে প্রত্যাখান করেছি বহুআগেই, যদিও আমার বোধ এসেছে এইমাত্র।মাধবীলতাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে সারারাতে তিনটা লাইন লিখা হয়েছিল।
“মাধবীলতা,
বিশ্বাস কর একসময় আমরাও প্রেমিক ছিলাম
মনেপ্রাণে মানতাম গার্লফ্রেণ্ডদের ব্লাউজের নিচে
স্তন নয় একটা আস্ত হৃদয় লুকিয়ে আছে।”
সবকিছুর পরও,আমি মনে মনে সমরেশকে একটা ধন্যবাদ জানাই।
০৪
কারওয়ান বাজার আন্ডারগ্রাউণ্ড প্যাসেজে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেদিন।সকালবেলা আমার তেমন কোন তাড়া ছিলো না।এই অকাটমূর্খের মতো দাঁড়িয়ে থাকার জন্যই বোধহয় দেখলাম কয়েকজন আমার দিকে বেশ আহত দৃষ্টিতে তাকিয়ে চলে গেল।কয়েকজন তরুণ রীতিমত ধাক্কা মেরে চলে গেল।আমি দেখলাম টানেলের সামনে যে শহরটা আড়মোড়া ভাঙছে সে অশ্লীল রকমের ব্যস্ত, কামান্ধ হাতের মতো। তার যৌনোত্তেজিত শহরের জিহবায় সেইসব তরুণেরা অনায়াসে চলে যাচ্ছে।
এই দৃশ্যের সামনে দাঁড়িয়ে আমায় এক অদ্ভূত জড়তা আক্রমন করে।
আমি আর কিছুতেই নড়তে পারি না।
মাঝে মাঝে এই রকম কোন মুহূর্তে ঋতিহীনতা আশির্বাদ হয়ে দেখা দেয়।
০৫
আমার টেবিলের সামনে একটা টুলে পাভলভ বসে আছে।আমি খুব হিংসুটে দৃষ্টিতে পাভলভের দিকে তাকিয়ে থাকি।এক সময় খুব সন্দেহে থাকতাম যে কে মাকে বেশি ভালোবাসে? আমি না পাভলভ? আমি না গোর্কী? এখন এইসব আর ভাবি না। এখন ভাবি পাভলভ কি খবরের কাগজ পড়ে? সে যখন দেখে মায়েরা কামোন্মত্ততার কারণে সন্তানদের হত্যা করে ফেলছে তখন তার চোখে কি কোন ছায়ার জন্ম হয়?
পাভলভ, বিশ্বাস কর আর নাই কর
মায়েরা এখন শিশুহত্যা শিখে ফেলেছে
বেসিনে সন্তানের রক্তের দাগ রেখে
তারা নিষ্ঠুর কায়দায় বিছানাময়ী হয়ে উঠতে শিখে ফেলেছে।
০৬
লিংকিন পার্কের একটা ভিডিও দেখে গতরাতে চমকে উঠেছিলাম।সেই ভিডিওতে দেখাচ্ছিল, এক ককেশিয়ান তরুণী ডায়েট মেইনটেইন করে কোমরের মাপ নিয়ে দেখছে সে কতোটুকু স্লিম হয়েছে, পরবর্তী চিত্রে দেখালো এক আফ্রিকান বৃদ্ধকে অনাহারে যার পাঁজরের হাড় দৃশ্যমান।
কি অদ্ভুত রিকারেন্স!
এই দুটি দৃশ্য রেটিনায় লেগে আছে।তবে ব্যপার না।জ্ঞান হবার পর থেকেই আমি একটা জিনিস শিখেছি।সেটা হলো ইম্প্রোভাইজেশান। আস্তে আস্তে এই দৃশ্যকে আমি ইম্প্রোভাইজ করে ফেলব কোন সুন্দর দৃশ্যে।
এটা দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
০৭
লোর্কার একটা কবিতা নিয়ে প্রতিরাতে বসি। “ব্যালাড অব দ্য স্প্যানিশ সিভিলগার্ড”। প্রতিদিন ভাবি এটাকে নিজের মতো করে লিখব।পারি না।
রাতগুলো দীর্ঘ হতে থাকে আর দেখি হঠাৎ আমি সেই বধ্যভূমিতে এসে গেছি।আমার সামনে চোখ বাঁধা লোর্কা।হননকর্মীরা, ওরা চূড়ান্তপর্যায়ে প্রস্তুত।তার মৃত্যদৃশ্যটির অবতারণা হওয়ার আগেই আমি পালিয়ে চলে আসি।
আমার শিরার ভেতর একটা টিকটিকি লুকিয়ে আছে।যতো চেষ্টাই করি না কেন সময়মতো এটা ঠিকই নিজের চেহারা বের করে ফেলে।
Type Of Girls
HARD-DISK Girls:She remembers everything, FOREVER.
RAM Girls:She forgets about you, the moment you turn her off.
WINDOWS Girls:Everyone knows that she can’t do a thing right, but no one can livewithouther.
SCREENSAVER Girls:She is good for nothing but at least she is fun!
INTERNET Girls:Difficult to a! ccess.
SERVER Girls:Always busy when you need her.
MULTIMEDIA Girls:She makes horrible things look beautiful.
CD-ROM Girls:She is always faster and faster.
E-MAIL Girls:Every ten things she says, eight are nonsense.
VIRUS Girls:Also known as “WIFE”; when you are not expecting her, shecomes, installs herself and uses all your resources. If you try touninstall her you will lose something, if you don’t try to uninstallher you will lose everything………
ফালতু পোস্টঃ মুভি ডাউনলোড কেম্নে করে [পার্ট টু]
vreel বন্ধ হয়ে গেছে শুনলাম, তাইফুর ভাইয়ের কাছ থেকে। তাই বলে কি আমাদের মুভি দেখা থেমে থাকবে? কাভি নেহি। torrent, rapidshare এর যুগে মানুষ মুভি ডাউনলোড করবেই।
vreel এর বদলে এসেছে www.stagevu.com , তবে এদের মুভির কালেকশন কেমন, সেটা নিয়ে একটু সন্দিহান। তবে মোটামুটি নতুন সব ছবিই পাওয়া যায় এখানে। সাইটের একেবারে ওপরেই রয়েছে সার্চ বাটন। এর মাধ্যমে সার্চ করে আপনি মোটামুটি অনেক মুভিই খুঁজে পেতে পারেন।

ডাউনলোড করার আগে Rating এবং Length দেখে নেবেন। যেমন: মনপুরা সার্চ করে যে রেজাল্ট পেলাম, তার প্রথমটার Rating আর Length দেখুন।

সুতরাং, চলে। মুভির নামের উপর ক্লিক করলেই ডাউনলোডের পেজ চলে আসবে।
ডাউনলোড করার পদ্ধতিটি একেবারেই সহজ। লিঙ্কে যাবার পর :just: ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করবেন, খেল খতম।

এদের মুভির ফাইল গুলো সব সিঙ্গেল ৭০০ মেগাবাইটের ফাইল। কোন আলাদা আলাদা ফাইল আপনাকে ডাউনলোড করার পর আবার জোড়া লাগানোর কষ্ট করতে হবে না। ওয়ান ক্লিক ডাউনলোড। তবে, ভাল প্রিন্টের কিছু মুভি ৩৫০ মেগাবাইটের দুইটা আলাদা ভিডিও ফাইলে পাওয়া যায় এখানে মাঝে মাঝে। যেমন, মনপুরার এরকম একটা ভার্সন আছে। প্রিন্ট আগের চেয়ে ভাল।
আপনার ইন্টারনেটের স্পীড যদি সেইরকম ভাল হয়, তাহলে হয়তো আপনি অনলাইনেই বসে দেখতে পারেন, কিংবা একবসায় ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন পুরো মুভি।
কিন্তু আমার মত গরীব লো-স্পীড নেট ইউজারদের জন্য কি ব্যবস্থা? অর্ধেক ডাউনলোড হবার পরে যদি কারেন্ট চলে যায় (যদি আপনি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে ইহা আপনার জন্য প্রযোজ্য নয়), তখন কি করবেন?
হালকা একটু জ্ঞান বিতরণ করি।
স্টেজ ভু তে মুভি ডাউনলোডের জন্য যেই পেজ টা থাকে তার লিঙ্কটা হয় অনেকটা এরকম।
http://stagevu.com/video/jiznaojznvnq
এই পেজ ভিজিট করলে আপনি ডাউনলোডের লিঙ্ক পাবেন।
এরা প্রতিটা মুভি প্লে কিংবা ডাউনলোড করার সময় একটা টেম্পোরারি ডাউনলোড অ্যাড্রেস ইস্যু করে। আপনি যতক্ষণ মুভিটা অনলাইনে দেখছেন, কিংবা ডাউনলোড করছেন, ততক্ষণই শুধু সেই অ্যাড্রেসটা ভ্যালিড থাকে। অ্যাড্রেসগুলাও হয় খুব খাইস্টা টাইপের, মনে রাখা সম্ভব না।
http://n41.stagevu.com/v/02c54a3f3935e393954ce7ed429bc354/jiznaojznvnq.avi
যেমন এটা হল, ওই পেজে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে যেখান থেকে মুভিটা ডাউনলোড হচ্ছে তার লিঙ্ক। অবশ্যই টেম্পোরারি। সুতরাং, ডাউনলোড একবার বন্ধ হলে এই লিঙ্ক আর কাজ করবে না।
এখন কোন কারণে ইন্টেরাপ্টেড ডাউনলোড রিসিউম করতে হলে নতুন করে এরকম একটা ডাউনলোড অ্যাড্রেস পেতে হবে, এবং সেই নতুন অ্যাড্রেসটাকে পুরান অ্যাড্রেসটার জায়গাতে বসিয়ে রিসিউম বাটনে ক্লিক করতে হবে। এটাকে বলে Link Replacing, ইন্দিয়ার্নাইন্টিন্সিক্সটিনাইন, এইকাজ আমাদের ম্যানুয়াল প্রসেসে করতে হত,
(
ফালতু পোস্ট: মুভি কেম্নে ডাউনলোড করে পোস্টে সেই কষ্টসাধ্য উপায়ে লিঙ্ক রিপ্লেস করার পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছিল।
আর বর্তমান কলিযুগে? সেটি আইডিএম এর লেটেস্ট ভার্সনে মাত্র কয়েকটা ক্লিকে করা যায়। :tuski: :tuski: :tuski:
এবার আসুন একটা মুভি ডাউনলোড করার চেষ্টা করি। এজন্য প্রথমেই আপনার যে সফটওয়্যারটি লাগবে তার নাম, Internet Download Manager.
Latest Version ডাউনলোড করুন এখান থেকে:
তারপর আইডিএম এর Crack ডাউনলোড করুন, এখান থেকে।
Crack এর ভিতরের ফাইলগুলো Extract করুন একটি ফোল্ডারে।
ক্র্যাক ফোল্ডারের RUN.REG ফাইলটা চালান।
তারপর IDMAN.EXE ফাইলটা “C:\Program Files\Internet Download Manager” ফোল্ডারে পেস্ট করুন। একটা ওয়ার্নিং আসবে, YES করুন।

পিসি রিস্টার্ট করে নিন একবার।
আসুন তাহলে মনপুরা ডাউনলোড করি।
০১. http://stagevu.com এ যান, monpura লিখে সার্চ করুন।

http://stagevu.com/search?for=monpura&in=Videos
রেটিং এবং Length দেখে যেটা পছন্দ হয়, সেটায় ক্লিক করুন।
যেমন আমার পছন্দ হল এটা: http://stagevu.com/video/dqstfribunle

ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন। IDM তখন একাই ডাউনলোডটা ক্যাচ করবে,

স্টার্ট ডাউনলোডে ক্লিক করুন।
০২. ধরুন, ৭০% পার্সেন্ট ডাউনলোড হবার পর কোন কারনে আপনার ডাউনলোড ইন্টেরাপ্টেড (কারেন্ট গেছে, নেট ডিসকানেক্ট ইত্যাদি) হয়েছে। এখন প্রথম কাজ IDM এ গিয়ে ফাইলটা সিলেক্ট করে, নরমালি রিসিউম করার চেষ্টা করুন।

কাজ করে কিনা দেখুন। হলে তো ভালই।
না হলে, একটা বক্স আসবে, তাতে বলা থাকবে,
সরি ভাই, আগের লিঙ্ক থিকা ডাউনলোড হইতাছে না, যেইখান থিকা লিঙ্ক পাইছিলেন, সেই পেজটা আমি আবার ওপেন করতেছি, আপনে কষ্ট কইরা আরেকটাবার ডাউনলোডের ট্রাই মারেন।

*** যদি এই বক্সটা না আসে, তাহলে ডাউনলোডে রাইট ক্লিক করে Refresh Download Address এক ক্লিক করুন।
তখন ওপরের বক্সটা আসবে। ***
ওকে করলে এই ওয়েটিং বক্সটা এসে বসে থাকবে।

থাকতে দিন।
দেখবেন, যেখান থেকে ডাউনলোড স্টার্ট করেছিলেন, সেই পেজটা আবার ওপেন হয়েছে একাই। আবার আগের মত ডাউনলোডে ক্লিক করুন।

আইডিএম আপনাকে আবার জিজ্ঞাসা করতে পারে, ভাই, এইটাই কি নতুন অ্যাড্রেসটা? “Is this the new address of the file you want to download?”
YES করে দিন। তখন success এর কনফার্মেশন বক্স আসবে এবং একা একাই ডাউনলোড রিসিউম হয়ে যাবে।

যদি একা একাই রিসিউম না হয়, তাহলে আবার আগের মত Resume বাটনে ক্লিক করুন,

দেখুন আপনার ডাউনলোড ৭০% এর পর থেকেই শুরু হয়েছে।
সমাপনীঃ
এই টেরাবাইটের যুগে আমার ২০ গিগাবাইট হাড্ডিতে একেবারেই ফ্রি স্পেস নাই
(

স্পেস নাই বলে কোন মুভি ডাউনলোড শুরুই করতেই পারি নাই, তাই আপাতত ৭০% এর পর থেকে ডাউনলোড হচ্ছে, এমন কোন স্ক্রীনশট দিতে পারলাম না। হাড্ডির বাকি মুভি গুলা দেখা হইলে আশা করি ফ্রী স্পেস পাব, তখন স্ক্রীনশট অ্যাড করে দিব।
IDM এর এই Link Replacing এর পদ্ধতিটা শুধু স্টেজ ভু নয়, মোটামুটি সব সাইটের জন্য প্রযোজ্য।
যারা Rapidshare, Megaupload, Hotfile ইত্যাদি সাইট থেকে মুভি ডাউনলোড করতে চান, তাদের জন্য আরেকটা সাইট হল,
http://oneclickmoviez.com, ঘুরে আসতে পারেন।
কয়েকটা মুভির ডাউনলোড লিঙ্ক স্টেজ ভু থেকে:
এভাটার [DVDScr]
মনপুরা [DVDRip]
মনপুরা পার্ট ওয়ান [DVDRip]
মনপুরা পার্ট টু [DVDRip]
ডিসিভার্স (১৯৮৮)
পোস্টটা তাড়াহুড়ো করে লেখা, ভুল ভ্রান্তি থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী। বুঝতে সমস্যা হলে পড়ে আসতে পারেন ফালতু পোস্টঃ মুভি ডাউনলোড কেম্নে করে
আর যে কোন সমস্যায় ফোন্দিয়েন বা মেইল্দিয়েন।
ইউটার্ন রে মিস্করি :( :( :(
গত ঈদে সামুবাসীর মফিজদের বিয়াপোক বিনোদনের উদ্যোক্তা মিস ইউটার্ন রে খুব মিস করতাছি।
X#(
X(
যারা ঈদ করতে বাড়ী যাইতেছিলেন, তাহাদের মফিজ বলিয়া সম্বোধন করিয়া মিস ইউটার্ন সকলের চক্ষুশূল হইয়া ছিলেন। সেই “মফিজের” দল ঢাকা ছাইড়া যাইতেছে আর ফাঁকা ঢাকায় উনার বয়ফ্রেন্ড জন রে নিয়া উনি লং ড্রাইভে বাইর হবেন, এহেন একখানি পুষ্ট দিয়া উনি দ্রুত তম মাইনাসের সেঞ্চুরি করিতেন আরেকটু হইলেই। কিন্তু বেরসিক মডুরাম আসিয়া উনাকে ব্যান করিয়া আমাদের ঈদ বিনোদন হইতে বঞ্চিত করিলেন এবং আফ্রিদী মাইনাস পদক পাইবার আগেই আউট হইয়া গেলেন।
সেই বিশ্বখ্যাত পোস্টটি দেখুন এইখানে।
মিস ইউটার্নরে নিয়া তখন হৈ হৈ রৈ রৈ পড়িয়া যায়। এ নিয়ে দেখুন আমাদের আমড়া কাঠের ঢেকি ভাইয়ের স্পেশাল পোস্ট ঈদ স্পিশাল এলবাম ফুয়াদ ফিচারিং ঈউঠার্ন B-)B-) :: ঢাকা সিটি রিডিফাইন্ড – মুক্তি পাচ্ছে কয়েক ঘন্টা পড়েই
মিস ইউটার্ন আবারো সামুবস্তি(!)তে পদধূলি রাখিয়া সামুবাসীকে ধন্য করিয়াছেন। এইবার এসেছেন ইউটার্ন আবার নামে। কিন্তু এই ঈদে উনি আর কোন পুস্ট দেন নাই আমাদের বিনোদনের উদ্দেশ্যে। বেরসিক মডু এখনো উনাকে ওয়াচে রাখিয়াছেন এবং প্রথম পাতায় এক্সেস দেন নাই বলিয়া মফিজদের প্রতি উনার আক্ষেপের শেষ নাই। মফিজকে মফিজ বলা কি আমার দোষ ছিল? শিরোনামে উনি আরেকখানি পোস্ট দিয়ে সামুবাসী কে ধন্য করিয়াছেন।
ইউটার্ন আবার আফা, সেই রকম আরেক খান পোস্ট দেন না… পিলিজ লাগে, আপনার জন এর পিলিজ লাগে।
মডু প্যানেলে আকুল আবেদন এই যে, ইউটার্ন আফার নয়া নিক ইউটার্ন আবার এইটারে পরথম পাতায় এক্সেস দিয়া সামুবাসীকে বিনোদনের পথ সুগম করুন।
Disclaimer: ইহা একখান ফানপুস্ট
এবং সকল চরিত্র লেখকের কল্পনা প্রসূত এবং লিঙ্ক গুলা স্বপ্নে পাইছি। সামুব্লগের কারো সাথে মিলিয়া গেলে আমার দোষ নাই।
ছেলে মেয়েতে বন্ধুত্ব মানেই অন্যরকম কিছু একটা
অনেক ছেলে বেশ গর্ব সহকারে বলে থাকেন-অমুক মেয়েটা আমার খুব ভালো বন্ধু।অনেক মেয়েও একই কথা বলে থাকেন- তমুক ছেলে আমার ঘনিষ্ট বন্ধু।কথাগুলো শুনতে ভালোই লাগে।তবে এর বাস্তবতা কতটুকু,সেটা খুব কম লোকই খোঁজেন।চারপাশের ঘটনা দেখা,শোনা এবং বোঝা থেকে আমি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি তাতে দু কলম লিখে বলতে পারি-ছেলে মেয়েতে কখনোই বন্ধুত্ব হয় না,হতে পারে না।অতি আধুনিক এবং অতি প্রগতিশীলরা নিশ্চয়ই এই কথার তীব্র প্রতিবাদও নিন্দা জানাবেন।তবে নিন্দা জানানোর কার্যক্রম শুরু করার আগে আমার কথাগুলো একটু মন দিয়ে শুনে নিন।শুনুন,কোন সুন্দরী মেয়ের সাথে যদি কোন ছেলের বন্ধুত্ব হয়,তাহলে এই ছেলে আজ হোক আর কাল হোক তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেবেই।যদি ছেলে আর মেয়ের মধ্যে বড় কোন তফাৎ থাকে কিংবা মেয়েটা যদি বিবাহিতা বা অন্যের প্রেমিকা হয় তাহলে ভিন্ন কথা।তবে ছেলেটার মন উড়ু উড়ু করবেই তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়ার জন্যে।তাহলে এখানে বন্ধুত্বটা থাকলো কোথায়?দুইটা ছেলে বন্ধু একসাথে রাতে ঘুমুতে পারে আড্ডা দিতে পারে।ছেলে আর মেয়েতে যদি বন্ধুত্ব হয়,তাহলে তারা কেন পারে না?এমন কোন ফেরেশতা আছে কি,যে তার মেয়ে বন্ধুর সাথে স্বাভাবিকভাবে ঘুমুতে পারবে?কিংবা ঘুমুলেও মাঝ রাতে উঠে তার দিকে লোলুপ দৃষ্টিতে তাকাবে না?তাহলে কিসের বন্ধুত্ব?লোলুপ দৃষ্টি বলেন আর কামনার দৃষ্টি বলেন,সেটা তো বউ কিংবা প্রেমিকার জন্য সংরক্ষিত।মেয়ে বন্ধুর দিকে যদি সুযোগ পেলেই সেই দৃষ্টিতে তাকানো হয়,তাহলে প্রেমিকা আর বউয়ের সাথে তার পার্থক্য থাকলো কোথায়?ছেলেটারও প্রেমিকা নেই,মেয়েটারও প্রেমিক নেই।এমন দুজন ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্ব হলো।দুজন সমান যোগ্যতা সম্পন্ন।আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি,আজ হোক কাল হোক তারা পরস্পরের প্রতি আসক্ত হবেই।ছেলে মেয়ের বন্ধুত্ব বলতে যদি আলাদা কোন বিষয় থাকত তাহলে বিয়ের পর মেয়েটি তার ছাত্রজীবনের বন্ধুর সাথে ঘুরতে গেলে বা সময় কাটালে তার স্বামী মাইন্ড করত না।শেষ মেষ এটাই বলব-ছেলে মেয়েতে বন্ধুত্ব হয় না।বন্ধুত্ব হলে এই বন্ধুত্বকে বলা যায় প্রেমের প্রাথমিক পর্যায়।কারণ এই বন্ধুত্বের নাম করে অনেক ছেলে মেয়ে জড়িয়ে পড়ছে গভীর থেকে গভীরতর প্রেমে।
” মেদ ” কে বলুন টা টা বাই বাই
Thisarticle is a copy paste from this linkhttp://prothom-aloblog.com/users/base/nasrinjubaer/247
মেদ নিয়ে ভাবছেন? এখানে মেদ কমানোর একটি ডায়েট চার্ট দিলাম, আমি একটি ওয়েব সাইটে পেয়েছি, মনে হয় কাজে দিবে… দেখুন আপনারা….
ডায়েট চার্টের পয়লা দিন :-
খাদ্যের প্রসঙ্গে পরে আসি। আগে বলি মনের কথা। এতোদিন যারা বেশ মজা করে তাড়িয়ে তাড়িয়ে রাজ্যের খাবার খেয়েছেন প্রথম দিনে তাদের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা হবে মনের সাথে যুদ্ধ। তবে এই যুদ্ধে যতোই কান্ত হয়ে পড়ুন না কেন প্রথম দিনে ফল ছাড়া আর কোনো খাদ্য সামগ্রীর দিকে কিন্তু ভুলেও হাত বাড়ানো যাবে না।
আবার মেদভুড়ির বন্ধু বলে ফলের এই তালিকাতে কোনোক্রমেই রাখা চলবে না কলাকে। এছাড়া যেসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি যেমন তরমুজ, আম, পেপে, কমলা, আনারস প্রভৃতি যতোটা সম্ভব বেশি খেতে হবে। অন্যান্য ফল এবং ফলের রসও খাওয়া যাবে। তবে ডাবের পানিতে গলা ভেজানো যাবে না।
দিন নম্বর টু :-
ভাত-মাছ-মাংসের জন্য প্রাণ কাঁদলেও ওমুখো হওয়া যাবে না। আর সেই অভাব পূরণ করতে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে সবজি। ভাত ছাড়া সবজি খেতে বলায় আমাদের পাগল ঠাওড়াতে পারেন। কিন্তু কি করবেন বলুন। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আর ডায়েট বিষয়ক বই-পুঁথিও যে একই কথা বলছে।
সে যাই হোক, দুঃখ বাদ দিয়ে বেশি বেশি সবজি খান। লাউ, মিষ্টিকুমড়া, ডাঁটা, বরবটি, করোলা, কাঁচা পেপে, টমেটো, শসা থেকে শুরু করে যতো ধরণের সবজি বাজারে পাওয়া যায় তার সব পদই চেখে দেখতে পারেন এদিন। সেই সাথে পানি খান প্রচুর পরিমাণে।
তৃতীয় দিনের কথা :-
প্রথম দিন ফল খেয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিন খেয়েছিলেন সবজি। আর আজ খাবেন ফল ও সবজি দু’টোই। কি একটু হলেও নিশ্চয়ই মন ভাল লাগছে। তবে এ আনন্দে যতো ধরণের ফল আর সবজি-ই উদরস্থ করুন না কেন ভুলেও হাত বাড়াবেন না কলা কিংবা আলুর দিকে। পানির সাথে বন্ধুত্বটা তৃতীয় দিনে আরো বাড়ান। সেই সাথে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চেখে দেখতে পারেন ভেজিটেবল স্যুপ। এই স্যুপে সামান্য তেল দেয়া যেতে পারে, কিন্তু মসলা নয় মোটেও।
চার নম্বর দিন :-
সবকিছু ঠিক থাকলে তৃতীয় দিনের শুরুতেই শরীরের অতিরিক্ত মেদে ভাঙ্গন ধরবার কথা। কিন্তু শরীর যেন হঠাৎ করেই ভেঙ্গে না পড়ে তাই চতূর্থ দিনে মেদের কথা ভুলে কিছুটা পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে। আর এটা ভাবতে গিয়েই কলা খেতে হবে। হ্যাঁ, এতোদিন ধরে যেই ডায়েট চার্টের সাথে কলার সাপে-নেউলে সম্পর্ক চলছিল সেই কলাই আজ আপনাকে খেতে বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। তবে কলাভক্ত খাদকেরা আবার এই আনন্দে ডজনের পর ডজন কলা সাবার করে দেবেন না যেন। খুব বেশি ইচ্ছে হলে বড়জোর ২ হালি কলা খেতে পারেন। সেই সাথে খেতে হবে দুধ; কমপে তিন গ্লাস।
পঞ্চম দিনের খাবার :-
আজ আপনি গরুর মাংস খেতে পারবেন। চাই কি চেখে দেখা যাবে মুরগীর মাংস ও। ভাবছেন রসিকতা করছি। উহুঁ মোটেও নয়। সত্যি সত্যিই খানিকটা গরু কিংবা মুরগীর মাংস খেতে পারবেন ডায়েট চার্টের পঞ্চম দিনে। তবে শুধু শুধু মাংস না খেয়ে সাথে টমেটো কিংবা লাউ, কুমড়া দিয়ে রেঁধে খাবেন। মাংস রান্নার ক্ষেত্রে তেল-মসলা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া মাংস খাবার সময় পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পানিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
ষষ্ঠ দিবসের ভাবনা :-
বেশ, বেশ, বেশ। আগের পাঁচদিন যদি সুবোধ বালক কিংবা বালিকার মতো সব পরামর্শ মেনে থাকেন তবে ষষ্ঠ দিনে পুরস্কার হিসেবে আপনি খেতে পারবেন সবজি এবং মাংস। তাও মেপে টেপে নয়, একেবারে উদরপূর্তি করে। অর্থাৎ এ দিন আপনার যতো খুশি মাংস ও সবজি খেতে পারবেন। তবে এই আনন্দে রুটিন মাফিক পানি খাবার কথা ভুলবেন না।
আজ শেষ (সপ্তম) দিন :-
আজ মনের আনন্দে খেতে পারবেন ফ্রুট জুস, সবজি ও ভাত। আহ! সবজি দিয়ে ভাত মেখে খাবার পর যদি দেখেন শরীরের ওজনটাও খানিকটা কমেছে তবে আনন্দের মাত্রাটা ষোলআনা হতে বাধ্য। সাধারণ হিসেবে সাতদিনের ডায়েট চার্টে আপনার ওজন কমবার কথা প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজি। কিন্তু তাই বলে আবার ডায়েট চার্ট শেষ করবার আনন্দে তৎক্ষনাৎ গপাগপ বহুকিছু খেয়ে ফেলবেন না যেন। বরং ধীরে চলো নীতিতে পরিমাণমতো খাবার পথেই চলতে থাকুন। আর বাই-বাই বলুন মেদকে।
মনে রাখুন
১. সাতদিনে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। প্রতিদিন কমপে আট থেকে দশ গ্লাসতো বটেই।
২. ভুলেও অ্যালকোহলের ত্রি-সীমায় ঘেরা যাবে না।
৩. চা-কফি খেলেও তা খেতে হবে দুধ এবং চিনি ছাড়া।
৪. সপ্তম দিনের আগে কোনোভাবেই কোনো ফ্রুট জুস খাওয়া যাবে না।
৫. ডায়েট চার্ট ফলো করবার পাশাপাশি হালকা পরিশ্রমের কাজও চালিয়ে যান।
Batch File: Rename to put extention (*.jpg) at the end of each file
আমি মেইল থেকে প্রায়ই আউটলুক এক্সপ্রেসের মেইলগুলার অ্যাটাচমেন্ট এক্সট্রাক্ট করি। তখন দেখা যায়, একই ফাইলনেম থাকার কারণে অনেকগুলো ফাইলের এক্সটেনশন থাকে না। যেমন,
sunny_leone.jpg এর পরের সবগুলো ফাইলের ফাইলনেম এমন
sunny_leone_001 (কোন এক্সটেনশন নাই)
sunny_leone_002 (কোন এক্সটেনশন নাই)
…
…
sunny_leone_150 (কোন এক্সটেনশন নাই)
সবগুলার নামের পিছনে .jpg বসিয়ে নিলেই কাজটা হয়ে যায়, কিন্তু একহাজারটা ফাইল কি একটা একটা করে রিনেম করে করে কাজটা করব? হ্যাঁ, প্রথমে তাই করতাম আমি। কিন্তু এখন আর করি না।
এক্সটেনশন বিহীন কিছু ফাইলের শেষে এক্সটেনশন বসানোর জন্য আমি এই ছোট্ট একটা batch file এর সাহায্য নেব।
নোটপ্যাডে নিচের কোড গুলো লিখে extention.bat নামে সেভ করি।
ren * *.jpg
তারপর সবগুলো এক্সটেনশন বিহীন ফাইলগুলোর সাথে ব্যাচ ফাইলটাও একটা ফোল্ডারে রেখে ফাইলটা চালাই।
*** Caution: একই ফোল্ডারে যদি *.wmv *.avi *.pps বা অন্য কোন এক্সটেনশনের ফাইল থাকে তবে সেগুলোর এক্সটেনশনও বদলে যাবে সুতরাং Make sure, that folder doesnt contain any other files other than *.jpg ***
GP, AKTEL, Banglalink, Teletalk internet settings
(This article is copied from http://priosathi.blogspot.com/2009/02/manual-wap-mms-settings-for-gp-aktel.html
If you like it, Read more over there: http://priosathi.blogspot.com)
$Aktel:
1. Type “*#06#” to see the IMMI number of your handset.
For example, let your IMMI no is 350143304709722. Write the first 8 digit down of your IMMI number e.g. 35014330.
Now go to your Message menu and write a sms as follows:
-> For WAP settings: wap 35014330
-> For MMS settings: mms 35014330
-> For Internet settings: web 35014330
and send* it to 8738
Charges:
+ TK. 0.015 + VAT 15% per Kb for browsing
+ Download charges as applicable
+ Standard SMS charge for settings
+ AKTEL to AKTEL MMS: TK 5 + VAT 15%
+ AKTEL to Email: TK. 7 + VAT 15%
……………………
*************************************************************
$Grameen phone:
#Subscribe first:
Package 1 (P1), type P1 and send SMS to 5000
Package 2 (P2), type P2 and send SMS to 5000
Package 3 (P3), type P3 and send SMS to 5000
Package 4 (P4), type P4 and send SMS to 5000
#Settings:
By sms:
WAP Settings: SMS – WAP Handset_Name Model_Number to 8080.
MMS Settings: SMS – MMS Handset_Name Model_Number to 8080.
Internet Settings: SMS – Internet Handset_Name Model_Number to 8080.
For example: WAP Nokia 6600
Manual:
*Manual WAP Settings:
Profile/Settings Name = GP-WAP
APN (Access Point Name) = gpwap
WAP Gateway (Proxy) IP = 10.128.1.2
WAP Gateway (Proxy) Port = 8080
WAP Homepage = http://wap.gpworld.com/
Data Bearer = GPRS
*Manual MMS Settings:
Profile/Settings Name = GP-MMS
APN (Access Point Name) = gpmms
Gateway (Proxy) IP = 10.128.1.2
Gateway (Proxy) Port = 8080
Relay Server URL = http://mms.gpsurf.net/servlets/mms
Data Bearer = GPRS
……………..
*************************************************************
$Bangla link:
#Manually (wap)
Profile Name: blweb
APN: blweb
Protocol: http
Wap:
Profile Name: blwap
APN: blwap
Proxy/Gateway Address: 10.10.55.34 or 010.010.055.034
Port: 8799
Protocol: http
……………..
$Tele Tolk
:
To activate GPRS service. Write ‘reg’ or unl [for unlimited use] and send SMS to 111. It’ll be activated within 72 hours and you will be notified. Charge applicable, only TK. 25.00 + Vat 15%.
Then configure your mobile handset for using GPRS:
APN: wap (for regular) or gprsunl (for unlimited)
IP: 192.168.145.101
Port: 9201
————————–
ভাল্লাগে না ভাই…
দিনকাল খুবই খারাপ যাচ্ছে। মাস তিনেক আগে আম্মুর অপারেশন হল, গত সোমবার বিকেলে পরীক্ষা শেষ করেই শুনি আব্বু হাসপাতালে। কি হইছে আমাকে কিছু বলতেছে না কেউ খালি বলে, আগে বাসায় আস, তারপরে বলতেছি। পরীক্ষার জন্য আমারে কেউ কিছু জানায় নি।
আল্লাহর অশেষ রহমতে আব্বু মোটামুটি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলেন বৃহস্পতিবার রাতে। চেয়ার থেকে পড়ে মাথার পেছনে আঘাত পেয়েছিলেন। তবে সামান্য কাটা আর ব্লিডিং ছাড়া তেমন কোন খারাপ কিছু হয় নি। এক্সরে আর সিটি স্ক্যান রিপোর্ট বেশ ভাল। যদিও এখনো বেশ দুর্বল। তবে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন।
এইসব শেষে IUT তে ফিরলাম শনিবার সন্ধ্যায়। আম্মুর কড়া হুকুম, দাড়ি রাখা চলবে না। বাধ্য হয়ে আমার সাধের দাড়ি ফেলে আবার হাফ লেডিস চেহারা নিয়ে রুমে ঢুকলাম। তখনো কেউ আসে নি। ইমন বাসায়, মহিব আর মুহাম্মদ চিটাগং। রুমের শোচনীয় অবস্থা ঝাড়ুটাড়ু মেরে কোনমতে বিছানাটাকে বাসযোগ্য করে পিসিটা অন করলাম।
বাহ… দারুণ তো, পিসিটাও গেছে। এই গিগাহার্টজ কোয়াড কোরের যুগে বুড়া পেন্টিয়াম ৩ , ৭৩৩ মেগাহার্টজ পিসিটা আমার আর কত দিনই বা টানবে। ব্যাপার নাহ, রুমে আরো তিনটা পিসি আছে, কোন ব্যাপার ই না। সিসিবিতে আসা আমার কে আটকাবে শুনি? কিন্তু কে যেন বলেছিল, পিসি নস্ট হইলে যত খারাপ লাগে, বউ বাপের বাড়িতে গেলেও এত খারাপ লাগে না। একটা গোসল দিয়া আইসা কেমতে কেমতে আমার বুড়া পিসিটাকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনলাম। তবে বেচারার সিমোসের ব্যাটারী লো। পিসি অন করলে প্রতিবার টাইম ঠিক করতে হয়। এইডা কুনু ব্যাপার হইলো? আমি তো দিনে একবারই পিসি অন করুম। একটা ব্যাটারী কিনতে হইলে আবার সেই বোর্ডবাজারে গিয়ে ঘড়ির দুকানে যাও… উফ…. থাক ভাই… যেমনে আছে চলুক।
আমার পিসি অন হইতে প্রায় সাত আট মিনিটের মত লাগে। কিছুক্ষণ টাংকি মারলাম মুবাইলে। কাইল থেকে জিপির ২৫ পয়সা আর নাই। তাই যত পারি কইয়া নেই। সব মুবাইলে কলরেট কমে, জিপি বাড়ায়। বাহ বাহ। অবশ্য কলরেট যতই বাড়াক, আমার টাংকি মারার রেট কমার কোন আশা দেখছি না।
মহিব চলে আসছে। পিসিও অন হইছে। সিসিবিতে ঢুকলাম। থাকতে পারলাম না বেশিক্ষণ।
সব কিছু অসহ্য লাগতেছে। বাসায় ফোন দিয়ে আম্মুর সাথে কথা বলে মনটা হালকা হল। আইচ্ছা, বাবা মায়েরা এমন কেন হয়? বাবা মার সাথে থাকলে , কিছুক্ষণ গল্প করলে পৃথিবীর সব কিছুই ভাল লাগে। আব্বু-আম্মু দুজনেই কিছুদিনের ব্যবধানে হাসপাতালে থাকার সময় দুজনের সাথেই অনেক গল্প করা হয়েছে, যা হয়ত ক্যাডেট কলেজে যাবার পরে আর হয় নি। নাহ, বাপ-মা রা আসলেই বস। আইচ্ছা, আম্রা যখন বাপ-মা হমু, তখন কি আমরাও এই রকম বস হইতে পারুম?
কোন কাজ নাই, কি করা যায়? পুরা ব্লকে আমি, মহিব আর মন ছাড়া কেউ নাই। মন, বেচারা সকাল থেকে কিছু করার না পেয়ে রাগের চোটে ডিএসপি পড়তেছে। কয়েক দফা গাইলাইলাম অরে রুমে গিয়া। হালায় কয়, লাস্ট পরীক্ষা বইলা খুশিতে না পইড়া পরীক্ষা দিছি, তাই এখন পড়তেছি
:D:D
আমি আবার টাংকি মারতে বসলাম।
ভোরে ঘুমুলাম। সকালে আবার ফোন,
- অই মনপুরা দেখবি?
- না রে ভাই, ক্লাস আছে। (কে যায় সাধের ঘুম ফালাইয়া মনপুরা দেখতে!)
- আমি কিছু জানি না, তুই এক্ষুণি আয়।
আর ঘুম আসল না। সব ফেলে ছুটে গেলাম। দেখেও এলাম। বেশ ভালই। মুভিবোদ্ধাদের চরম অপছন্দের কমার্শিয়াল ছবিটি আমার খুব একটা খারাপ লাগল না।
বিকেলের একটা ঘটনায় মনটা ভার হয়ে আছে।
বেইলী রোডে খাওয়া শেষে রিকশা নেব। এমন সময় এক বৃদ্ধ আমার সামনে এসে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, বাবা.. বাবা…
আমি বললাম, কি হইছে চাচা, কাঁদেন ক্যান?
শ্লেষ্মাজড়িত কণ্ঠে তিনি বললেন, বাবা, বুড়া বইলা আমার রিকশায় কেউ উঠে না বাবা। সকাল থিকা মাত্র পাঁচ ট্যাকা পাইছি বাবা। আমার রিকশায় একটু উঠেন বাবা… বলেই উনি আমার হাত ধরে আবার কাঁদতে শুরু করলেন।
এসব ক্ষেত্রে আমি নিজেও ইমোশনাল হয়ে পড়ি। উনি তো আর ভিক্ষা চাচ্ছেন না। খেটে পয়সা নিবেন। রিকশায় উঠেই পড়েছিলাম প্রায় উনার। এমন সময় কোন একটা দোকানের দারোয়ান, কয়েকজন রিকশাওয়ালা আর পথচারী আমাকে ডেকে বললেন, এই যে ভাই, উনার রিকশায় উইঠেন না। আমি অবাক হয়ে বললাম, ক্যানো কি হইছে? (মানবতা বলে কিছু নাই আপনাদের… টাইপ ঝাড়ি দেবার প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম মনে মনে)
সবাই যা বলল তার সারমর্ম হল, চাচার রিকশায় উঠে কিছুদূর যাবার পরেই চাচা বুকে ব্যথার কথা বলে রাস্তায় শুয়ে পড়বে। তারপর সেন্সলেস হবার ভান করে আপনাকে আরো ঝামেলায় ফেলে আপনার কাছ থেকে আরো টাকা নিবে।
বৃদ্ধ চিৎকার করে কেঁদে বললেন, মিছা কতা বাবা। বিশ্বাস করেন, একবার সত্যি সত্যিই আমি পইড়া গেছিলাম, এরপর থিকা কেউ আমার কথা বিশ্বাস করে না বাবা… বৃদ্ধ রাস্তায় বসে পড়ে কাঁদতে লাগলেন।
এরপরের ঘটনা আমার আর লিখতে ইচ্ছা করতেছে না। কোন কাজেই শান্তি পাচ্ছি না। বার বার মনে হচ্ছে এভাবে ফিরে না এলেও পারতাম।
বাসে করে আসার সময় আবার নিজের বাড়ি সিসিবিতে ঢুকলাম, কয়েকটা কমেন্ট পড়ে মনটা খুব খারাপ হল। ফয়েজ ভাই, সত্যিই কইতেছি, আমার ম্যাচুরিটি এখনো আসে নাই। আমার ধর্ম নিয়া কেউ খুঁচা দিলে পাল্টা খুঁচা না দিয়া থাকতে পারি না। রবিন ভাই, নিজের বাড়িটা ছাইড়া শহীদ হইতে চাই না ভাই, একটুও না। কি করি ভাই কনতো?
আমার খুব প্রিয় দুইটা বন্ধুর উদ্দেশ্যে কিছু অপ্রিয় কথা বলে শেষ করিঃ
দোস্তরা, মৃত্যুর পর পরকাল বলে যদি কিছু থেকে থাকে ( না থাকলে তো কোন সমস্যাই নেই ), তখন যখন সৃষ্টিকর্তা আমাকে প্রশ্ন করবেন “তোমার বন্ধু যে ভুল পথে পা বাড়াল, তুমি তাকে থামালে না কেন? কেমন বন্ধু তুমি?” তখন সৃষ্টিকর্তার সামনে আমাকে যাতে চুপ করে মাথা নিচু করে না থাকতে হয়। তখন অন্তত সৃষ্টিকর্তার সামনে মুখ ফুটে বলিস যে, (যদিও তিনি অন্তর্যামী, তবু বলিস) “ও আমাকে ফেরাতে চেয়েছিল।”


