জুক্সঃ পুলাপানের পড়া নিষেধ



: এইবার ভ্যালেন্টাইনেও দেখলাম একা একা ঘুরে বেড়াচ্ছিস ? তোর একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল যে সে কই?
: আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
: কেন কেন… তোদের তো কঠিন ভালোবাসা ছিল। সুখের ঘরে দুঃখের আগুন লাগাইল কে?

: আর বইলেন না , ও একদিন কাপড় পাল্টানোর সময় আমি দুর্ঘটনাবশত ওর ঘরে ঢুকে পড়ি।এরপরই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
: কেন তুই সব দেইখা ফেলছিস বইলা?
: আরে না আমি নিজের চোখ ঢেকে ফেলেছিলাম বলে।


দুটি শিশু গল্প করছিল।
: আমি বোতলের দুধ খাই। তুমি?
: আমি বুকের দুধ খাই।
: সেটা তো খুবই ভালো, স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

: তা ঠিক আছে। কিন্তু যদি এমন কারো সাথে শেয়ার করতে হয় যে সিগারেট খায় , তাহলে খুব সমস্যা।


এক মহিলা তার কিছু মনোদৈহিক সমস্যা নিয়ে গেছেকে মনোবিজ্ঞানীর কাছে-
: আপনার সেক্স লাইফ সম্পর্কে আমাকে কিছু বলুন? আপনার সমস্যা সমাধান করতে এইটা জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
: আমার সেক্সলাইফ বলতে গেলে পিকনিকের দিনের মতো।
: মানে খুব আনন্দের?
: না বছরে একবার।

রোমেলের বউ রোমেলের প্রতি পুরা উদাসীন। প্রেম-ভালোবাসা-আদর-সোহাগ ইত্যাদি ব্যাপার খুবই কম হত তাদের মাঝে। মাঝে মাঝে রোমেল অতিআগ্রহ দেখালে বউ ততোধিক নিরাসক্তমুখে উত্তর দিত,
: ধুর বাদ দাও তো এসব। আজ আমার মাথাব্যাথা।
এইরকম শীতল সম্পর্ক চলাকালীন অবস্থায় রোমেল একদিন তার বউকে নিয়ে গেল আফ্রিকা ভ্রমণে। ভাবল হাওয়া পরিবর্তনে হয়ত বউয়ের আগ্রহ জাগবে। কিন্তু কিয়ের কি? রোমেলের বউ তার নিরাসক্ততার পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেই যেতে থাকল।এরই মাঝে একদিন বনভ্রমণের সময় এক গরিলা হঠাৎ তার স্ত্রীকে ধরে কাপোড়চোপড় ছিঁড়ে ফেলতে লাগল।
বউ চিৎকার করে উঠল রোমেলের উদ্দেশ্যে..
: বাঁচাও, বাঁচাও, আমি এখন কি করব?
রোমেল বিরক্ত স্বরে বলল, : বলে দাও যে আজ তোমার মাথাব্যাথা। অন্য আরেকদিন।


প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা , প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল।

প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না, এটা অতদূর যাবে না।


: কাল রাতে ডেটিং এর সময় আমি আমার প্রেমিককে চড় মারতে বাধ্য হয়েছি।
: সে কি !! ও কি তোর উপর কোন জোর খাটাতে চাচ্ছিল?
: আরে না। সে বরং বারবার ঘুমিয়ে যাচ্ছিল।


: কিরে তোর চশমা ভাঙ্গল কিভাবে?

: আর বলিস না। ওকে চুমু খেতে গিয়েছিলাম।
: কি আশ্চর্য ! চুমু খেলে চশমা ভাঙ্গে নাকি?
: না ইয়ে মানে…ও হঠাৎ দুই উরু দিয়ে চাপ দিল তো…


প্রেমিক প্রেমিকার কথোপকথন-
: বলো তো পৃথিবীর প্রথম প্রেমিক প্রেমিকা কে?
: আদম আর ইভ।
: গুড। এবার বলো তো ইভ আদমকে প্রথম কোন কথাটি বলেছিলো?

: এটা বেশ শক্ত।
: ভেরি গুড; এটাও পেরেছ।


: আমার প্রেমিক এত বন্রভাবে প্রেম করে যে আমি সহ্য করতে পারি না। ওকে বলতে হয় ;ওগো থামো।
: আমার প্রেমিক তো আরো বন্য। আমাদের ভালোবাসাবাসির পর খাটের পায়া বেঁকে যায়।
: আমার প্রেমিক শুধু বলে নেয়- খাটের সাথে নিজেকে বেল্ট দিয়ে বেঁধে নাও ডালিং।

১০
প্রেমিকা : উঃ !! মাগো; ইনজেকশনটা কি না দিলেই নয়?

প্রেমিক (ডাক্তার) : না ইনজেকশন দিতেই হবে।
প্রেমিকা : তাহলে ইনজেকশনটা এমন জাযগায দাও যাতে দাগ না থাকে।
প্রেমিক (ডাক্তার) : তাহলে বাসায় যাও আমি রাতে আসবো।

১১
এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-তামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?

১২
স্ত্রী বিউটি পার্লার থেকে সেজেগুজে বাসায এসে দেখে, স্বামী এক বামন তরুনীর সাথে শুয়ে। রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে চেঁচিয়ে উঠল স্ত্রী, “তুমি না আমাকে কথা দিয়েছিলে , আমি ছাড়া কোন মেয়ের সাথে বিছানায় যাবে না…, এই তোমার কথার নমুনা?”
“রেগো না হানি, দেখতেই তো পাচ্ছ অভ্যাসটা আস্তে আস্তে ছোট করে আনছি।”

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s