১৪ফেব্রুয়ারি কে বা কারা কোথায় ধরা খাবে দে খে নিন (কিঞ্চিত১৮+)

১৪ফেব্রুয়ারি কে বা কারা কোথায় ধরা খাবে দেখে নিন(কিঞ্চিত১৮+)রিপোষ্ট … – এম. সৌরভ এর বাংলা ব্লগ । bangla blog | সামহোয়্যার ইন ব্লগ – বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ

একটি সাম্প্রতিক সময়ের সত্য ঘটনা। বিশ্ব ভালবাসা দিবসের উপহার ও সতর্কবানী নাটক বানাতে চাইলে লেখকের অনুমতি নিন। নিজে সতর্ক হোন, অপরকে ও লিংকটি দিয়ে জানিয়ে দিন….

গল্পটা এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের। মেয়েটা থাকত গায়ের সুন্দর এক পরিবেশে। বাবা হাই স্কুলের হেড মাস্টার। মেয়েটা বড় হয়েছে গ্রামেই। এখনো রাজধানী ঢাকার বাইরেই সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বা ১ম বর্ষের শেষে আছে। HSC,কলেজ এর শেষে সমপর্কে পুরোপুরি জড়ায়। ২০১২এ সাড়ে চার বছরের সম্পর্ক। দেড় বছর হলো কোর্ট ম্যারেজ ও হয়ে গেছে, পরিবার না দিলে কি, নিজেরাই মাঝে মাঝে একসাথে থাকে। বাকি সময় যোগাযোগ ফোন আর এসএমএস এ। তাছাড়া ৪মাস হলো নেটে নিমবাজ আর ২মাস ধরে ফেইসবুকেও যোগাযোগ চলছে। আগে এসবের প্রয়োজন বোধ করে নাই, কেউ ই… ছেলেটা ও পড়ছে সরকারী ভারসিটিতে। ইসলামীক মাইন্ডের। চেষ্টা করে মেনে চলতে। মেয়েটা কে পর্দা করায়, ইসলামিক জ্ঞান চর্চা করায় ইত্যাদি। মেয়েটাও সব সতস্ফুর্তভাবেই মেনে চলে বা চেষ্টা করে। নামাজ, পর্দা, ইসলামিক জ্ঞান চর্চার মধ্যেই ছিল।

ঝগড়া ছাড়া নাকি প্রেম জমে না !দু জনের ই প্রথম প্রেম। মাঝে মাঝেই ঝগড়া হয়, নানা কারনেই। আবার ঠিক আবার সমস্যা….।চলছিল ভালোই…. প্রতি ঝগড়ায় ছেলের কাছে মেয়ে দোষী সাব্যস্ত হয় আবার মেনেও নেয়, কারন মেয়ে ভালবাসার কথা্র ফুলঝুরি থাকে সবসময় ই কেমন যেন বেশী বেশী….

দেড় মাস আগে শেষ ঝগড়া লাগে। ছেলেটা সিদ্ধান্ত নেয় আগামী এক মাস কোন যোগাযোগ করবে না, তাকে রেগে জানিয়েও দেয় আর কখনোই কথা হবে না, এই ছিম আমি ভেঙ্গে ফেলবো, তখন রাত ২.৩০ টা । মেয়েটা কিছু মনে করে নাই, ভাবে কতই তো এমন হয়েছে! ছেলেটার যে কথা সেই কাজ। এক সিম চালু রেখে আরেকটা বদলে ফেলে।

মেয়েটা ওটাতে প্রতিদিন ই ট্রাই করে বাট রিসিভ হয় না। কারন তার নাম্বার ছেলেটা টোন অফ করে রাখে। তবুও একই নাম্বার থেকেই মেয়েটা একই ভাবে ট্রাই করে যায়। পাশাপাশি ছেলেটার এক মামার সাথে প্রায় কথা বলে ছেলাটার খোজ খবর নেয়। ছেলেটাও তার কাছ থেকেই খবর নেয়, তবে মেয়েটাকে প্রশ্রয় না দিয়ে। কোন কল, SMS না দিয়েই থাকে ছেলেটা। ১০দিন পর নিমবাজ থেকেও মেয়েটার একাউন্ট ডিলিট করে হিট করে মেয়েটাকে। এভাবেই চলতে চলতে এক মাস শেষ হয়।

এক মাস পরঃ ছেলেটা রাত ৮টায় নেটে গুগল টকে যায়, দেখে মেয়েকে। মেয়েও তাকে দেখে কিন্তু কেউ ই নক করে না। ছেলেটা পুরোনো সিম খুলে রাত ১২টায়। নিমবাজে যোগ করে মেয়ের একাউন্ট সকাল ১১টায়। মেয়েটা প্রথম দেখে বিকাল ২.১৫তে। কিন্তু কল ব্লক ! এস এম এস করতে থাকে, চ্যাট করে বাট নো এন্সার। সন্ধ্যায় ছেলে চ্যাট শুরু করে। চায় এফ এন এফ লিষ্ট। দেখে নতুন এক নাম্বার তার একটার বদলে। এভাবে করে ছেলেটা জানতে পারে ওই মেয়েটা একসাথে ৩টা ছেলের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে চলছে !!!!!!

নাম্বার ১ঃ মনে মনে “স্বামী” মামার কাছে জানায় সে যেন কথা বলিয়ে দেয়। তাকে ছাড়া সে বাচবে না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। মামা চেষ্টা করে যায় কিন্তু মেয়েটাকে জানায় আর কথা তোমার স্বামী বলবে না। আর স্বামীর কাছে মেয়েটার sms and chat এ তো কান্নাকাটি, ব্যাকুলতা তো আছেই……..

নাম্বার ২ঃ টেলিফোনে “পুরোনো ক্লাসমেট” জহির নামে এক ক্লাসমেট ছিল কলেজে, রোল ছিল ২। এখন chittaging University তে আছে। ৩বছর পর, হটাত কোন এক দুপুরে তার ই এক বান্ধুবীর কাছ থেকে নাম্বার নিয়ে কল করে। অপরিচিত নম্বর, তাই মেয়েটা ৫ম কল রিসিভ করে। সালাম, কে? >আমি জহির, ভালো আছো? হ্যা, তুমি? >ভাল লাইন কেটে দেয় মেয়ে। বলে রাখি, কলেজে ভর্তির আগে থেকেই বর্তমান স্বামীর সাথে কথা শুরু হয়। শুধু আত্বীয় হিসেবে আবার ঢাকায় থাকে! সন্ধ্যায় জহিরের ফোন, রিসিভ করে না। রাতে কথা হয়, জানায় জহিরের ছোট একটা বোন কিছু দিন আগে মারা যায়। তারপর থেকে খোজ খবর নেয়া শুরু। কলেজে কোন দিনই ঐ ছেলের সাথে কথা হয় নি, স্বামীর ভ্যাষ্য মতে। কিন্তু এখানে ১ম কথাই তুমি তুমি করে, যেন কলেজে কত কথা হইছে, নাম্বার হারিয়ে যাওয়ায় অনেক দিন যোগাযোগ হয় নি!! এভাবে দু-চার দিন চলে জহির ই ফোন দেয় রাতে ১২টার পর আধা ঘন্টা এক ঘন্টা কথা শুরু হয়ে যায়। কয়েক দিন পর মেয়েটাও কল দেয়, দৈনিক ৪/৫ বার মেয়ে আর ৭/৮ বার জহির কল দিয়ে কথা বলে। জহিরঃ তোমাকে কলেজে দেখতাম, কিন্তু কিছু বলতে পারতাম না মেয়েঃ চুপ করে শুধু শুনে…. জ> তোমার কি কোন সম্পর্ক আছে?> মেয়েঃ নাহ । ………………. ………………. এভাবে চলতে থাকে। মেয়ে তার দুটি নাম্বার থেকেই কল,মিসকল, sms দিতে থাকে জহির কে। রাত দুটায় জহির কে sms করে “ঘুম আসে না ”। এই রাতে ই স্বামীর মামাকে sms করে, তার(স্বামীর) সাথে কথা বলতে খুব ইচ্ছা করছে। প্রতিদিন এই চলছে…। স্বামী জানার পর সব sms ডিলিট করে দেয় আর জহিরকে না করে ফোন করতে, এখানে ও পৌনে এক ঘন্টা কথা। জহির জানায় তুমি কথা না বললে আমার এই নাম্বারই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে…..!!

জহির সমন্ধে উপরি উক্ত কথা মিথ্যা ! মেয়েটা প্রথমে তার সস্বামীর কাছে উপরের কথা বলে।তবে সত্য কি ঢাকা থাকে ! পরে জানা গেল সত্য ঘটনাঃ জহিরের সাথে সম্পর্ক কলেজ থেকেই ! ১ম বা ২য় ছিল ক্লাসে, মেয়েটা একসাথে প্রাইভেট পরত। জহিরের নোট করা খাতা মেয়ে নিত, তার টা জহির নিত। রাতে জহিরের সাথে ফোনে কথা হত! তবে জহিরের কারনে এতোটা আগে বাড়ে নি কথার ধরন। তবে মেয়েটা চাইতো! এভাবে ১ম বর্ষ গেলো।২য় বছরে জহিরের রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় সে পড়ায় মনযোগ দেয়। সম্পর্ক আর তখন আগে বাড়ে নি। তবে মাঝে মাঝে কথা হত। এসবের পাশাপাশি কিন্তু বর্তমান স্বামীর সাথে তখনো কথা চলত! এডমিশন টেস্ট শুরু হল সবাই ব্যস্ত। কিন্তু মাঝে মাঝে জহিরের খোজ নিয়েই চলে। তারপর জহির এতো আগ্রহ দেখায় না, কারন কলেজে সে শুনছিল ঐ মেয়ে নাকি কার সাথে রিক্সায় ঘুরে বেরিয়েছে! বর্তমান স্বামীর সাথে তখন দেখাই হত না! সবাই এউনিতে ভর্তি হল, কিন্তু মেয়েটা মাঝে মাঝে ফোন করত। জহিরের ভাষ্য মতে, স্বাভাবিক কথাই হত। কিন্তু অন্য কারো সাথে যদি হত ৫মিনিট কথা সেখানে ওর সাথে হত ১০ মিনিট , এই পার্থক্য। এভাবেই চলছিল…. শেষ দশ দিনের কথায় আসা যাক। প্রথম কল মেয়েটাই দিয়েছিল। হায়, হ্যালো শেষে সে প্রস্তাব সুচক কথা বলে মেয়ে> আমার বন্ধু হবে, আমি একাকী (facebook এ ইন in a realation থেকে changeকরেছিল single) জহির> এত দিন পর? >চিন্তা করলাম তো ,তাই। জ> ওকে >কত দিন চলবে ? জ> যতদিন চাও এভাবে রোমান্টিক এসেমসে চালাচালি হয়। জহির বলে সে আমার খবর এমন ভাবে নিতে থাকে, যেমন আমি চাচ্ছিলাম। সকালে ঘুম ভাংগানো, পড়া কেমন হয়, পড়ার সময় ফোন বন্ধ রাখবা ইত্যাদি। দেখা করার ডেট ও হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি, মেয়ে বলে> আমরা সারাদিন ঘুরে বেড়াবো ওই দিন, কেমন? আমার কোন বন্ধু নাই। কোন ছেলের সাথে আমার কথা হয় না।

নাম্বার ৩ঃ ইন্টারনেটে “ইন্ডিয়ান ছেলে” ৩ বা ৩.৫ মাস আগে ই একটা অপরিচিত একাউন্ট থেকে রিকুয়েস্ট আসে নিমবাজে। নাম তার sunny-looking-for-princess, ঠিকানা india ! স্বামীকে না জানিয়ে ই একসেপ্ট, যদি না করে! তাছাড়া স্বামীকে সবসময় ই বলত কোন ছেলের সাথে সে কথা বলে না, ছেলেরা দেখবে বলে মেছের ছাদে উঠে না। শুরু হলো চ্যাটিং। হায়, হেলো, কেমন আছেন, কি করেন, পরিবার…. গেলো ১মাস। সানী ল’তে পরে ৩/৪বর্ষে, বাবা ব্যাবসায়ী। ১মাস (+-)পর নেটে ছবি/ফটো বিনিময়। Nice, send another. I love you >me too, S> I want to marry you >I want to live with you… এবার অন্য আবেদন Sunny> send me a hot pic. Of ur >Send! now ur Sunny> send, এবার আরো গভীরে Sunny> send me ur breast’s pic >send s> one’s more >send s> more ….. …… মেয়েটা মেছে থাকত, সবাই ক্লাসে চলে গেলে, নগ্ন হয়ে ছবি তুলে পাঠাতো !! ছেলে অমন ভিডিও পাঠাতো চলতেই থাকে, সবার অগোচরে…… !!!!

মনে ১টা + ফোনে ১টা + নেটে ১টা= ৩টা

একমাস পর স্বামী আকাউন্ট চেক করে সব প্রকাশ করে। মেয়েটা উপরিউল্লেখিত সকল বিষয় শিকার করে, সব। মানে এমন ধরা পরে আর উপায় নাই। যেদিন এসব জানাজানি হয় পরদিন সকাল সকাল ই মেয়ে ১৩০কিমি. জার্নি করে ছেলের কাছে আসে কান্না-কাটি, ক্ষমা ভিক্ষা চায়।

এই ঘটনার আগে ছেলে ও মেয়ের বক্তব্য: ছেলেঃ *ও যুকতি মানতে চায় না, নিজে যা বলে বা করে তা ই সঠিক ভাবে *ছিচুয়েশন ঠিক করার জন্য মিথ্যা কথা বলে, শাক দিয়ে মাছ ডাকার চেষটা করে *মনের সকল কথা হয়ত বা প্রকাশ করে না। *কথায় কাজে মিল থাকে না প্রায় ই….

মেয়েঃ *খুব রাগী *কথা না শুনেই রাগ করে, আমাকে বুজতে চায় না

এই ঘটনায় বক্তব্য সমুহঃ

স্বামীর মামাঃ *আমার কাছে ফোন করতো ঠিক, তবে অত আকুলতা বা নিয়মিত না। *ছবি কি কাপড় ছাড়া পাঠাইলো ! আমি এখনো কনফিউজড। গ্রামের মেয়ে হয়ে ! আমি ওতো গ্রামের ই সন্তান ! *নিস্তব্ধ………………………………………….

ছেলে বা স্বামীঃ *আমি কোনদিন ওর মুখে কোন ছেলের নাম শুনি নাই। *কই আমি তো এক মাস যাবত ওর অপেক্ষাই ছিলাম, ইউনিতে পরা সত্তেও কোন মেয়ের সাথে কথা পর্যন্ত বলি নাই!! *ও এতটাই লাজুক ছিল যে ৩/৪বছর পর ও আমার কাছে আসতে লজ্জা পেত *ওর জন্য ই সম্পর্কের এতদুর আসা, কথা ও ব্যাকুলতায়। *এত নিচ কোন নারীর চরিত্র হতে পারে জানতাম না *কেন করলে এসব, কি পেলে বিনিময়ে? *কেন পর্দা, নামাজ, ইসলামীক জ্ঞান শিখিয়েছিলাম? *বোনের মৃত্যুতে ৩বছর পর তোকে কেন, জহিরের দরকার পড়ল? *কেন পবিত্র এক ভালবাসার সাথে বিশ্বাসঘাতগতা করলে? *এত নিচে ও নামতে পারে আমার কল্পনার বাহিরেও ছিল না ভিতরে থাকবে দুরের কথা, যেমন,আদিম মানুষ চাদে যাবার কথা কোন দিন ভাবতে পারে নাই। *হতাশ ও অশ্রু সিকক্ততা…. ………………………………

মহীয়সী মেয়ের প্রত্যাশা+বক্তব্যঃ *আমি কোন কিছুই বুযে করি নাই। *কেন করলাম এটাও জানি না। *(সানীর ব্যাপারে) আমি জানি বিয়ে সম্ভব না তাই এসব লিখছি, আর ছবি পাঠানোর সময় আমি স্বাভাবিক ছিলাম না *সব কিছু হইছে তোমার জন্য(স্বামীকে), তোমার অভাবে, তোমার প্রতি রেগে, কেনো যোগাযোগ বন্ধ রাখলে? *আমার মনে স্বামীর জায়গায় তুমি ই ছিলে, ওসব ছিল বাহ্যিক। *আমার মনের ব্যাকুলতা সব সময় প্রকাশ করতে পারি না (@মামা) *জহিরকে ফোন দিসি ঠিক, ঘন্টা ধরে কথা বলছি ঠিক,তবে আমি শুধু শুনতাম, আর জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতাম। *তোমার ঐ নাম্বারটা মুখস্থ ছিল তাই ওটা ডিলিট করে, বোনের মৃত্যু শুনে fnf করছি *(স্বামীকে)জান্ ! আমি তোমাকেই ভালবাসি, আমি তোমার বুকে ই থাকতে চাই, আমাকে শেষ সুযোগ দাও!(এমন সুযোগ আরো অন্য কারনেও চাইছে, ছেলে দিয়েছে) *আমি আর কোন ছেলের সাথে বাকী জীবনে কথা বলবো না, জান্, ক্ষমা করো। *জহিরের সাথে ঐ রাতের পর এমনিতে ই আর কথা বলব না জানিয়ে দিতাম, আর দেহ তো ছবিতে ই না দেখছে, বাস্তব কি দেখছে? *কান্না-কাটি আর নিরবতা….. ………………………………… !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

এ ব্যাপারে এক আলেমের মতামতঃ • *মেয়ের কিছু ঠিক থাকলেও ওর ধারনা বেশ মারাত্বক,(স্বামীকে তার জায়গায় ঠিক রেখে, বাকী গুলো বাহ্যিক.. !!!) • *এসব মেয়ে যদি একবার অন্য পুরুষের প্রতি দুর্বল/আকৃষ্ট হয়ে যায়, তাকে নিয়ন্ত্রন করা একপ্রকার অসম্ভব। • *কেমন জানি মেয়েটা এসব কিছু তেমন খারাপ মনে কছে না, এটা মুসলিম হিসেবে মনুষত্য বিকৃত বলে মনে হয়। • *প্রকৃত ভালবাসা এমন হতে পারে না, সে স্বামীর সংগা ই জানে না। • *যার খারাপ কাজে একবার ভয় ভেঙ্গে যায়, তার পরের অন্যায় হয় আরো সহজে আরো গুরুতর।

সকল নারী জাতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, সবাই কমেন্টস এ জানান এই দু টা প্রশ্ন + … ১.ছেলে টার এখন কি করা উচিত? ২.মেয়েটা সমন্ধে আপনার কি মতামত?

আমার মতে মেয়েটা লোভি টাইপের, তাই তার আজ তাতি নষ্ট…..

আপডেট অংশঃ

"তোরা যে যা বলিশ ভাই আমার সোনার হরিণ চাই" এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ছেলেটি সব ক্ষমা করতে চেষ্টা ও আবারও সম্পর্ক শুরু করে।

ছেলেটির ভাষ্য মতে "ভাই অনেক বেশী ভালবেশে ফেলেছিলাম, তাই +/- করে দেখলাম কাছে রাখতে না পারলে কোথায় ও কেমন যেন কষ্ট লাগে। তবে আগের মত মন উজার করে দিতে পারি না,কোথায় যেন বাধা? "

তার কিছুদিন পর, ছেলেটি মেসের ওর বড় আপুর সাথে কথা বলে কিছু অনুসন্ধান করে,কিন্তু তারা কিছুই জানে না। এই আপুই জহিরের কল একদিন রিসিভ করেছিল তবে বুযতে না পেরে, কল ধরেই মেয়েটির স্বামীর নাম ধরে বলে, …ভাইয়া,ও তো গোছলে। পরে জহির প্রশ্ন করেছিল … টা কে? মেয়েটি উত্তর দিয়েছিল ক্লাসমেট,একসাথে প্রাইভেট পড়ি! ছেলেটি অই আপুকে একটু ঈংগিত দেয়্‌, যা যতসামান্য!

তারপর সব মিলিয়ে মেয়েটি ক্ষোভে দুঃখে বিষ খেয়ে ফেলতে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে যায়, সম্পর্ক জানাজানি হয় পরিবার ও মেসের মধ্যে… তারপরও এখনো চলছে, চলবে…

ব্যাক্তিগত কৌতুহল ও পাঠকের প্রশ্ন বিবেচনা করে, আমরা যোগাযোগ করেছিলাম ছেলেটি ও মেয়েটির সাথে তাদের কাছে আলাদা ভাবে রেখেছিলাম কিছু প্রশ্ন দেখুন তার উত্তরঃ

ছেলেকে প্রশ্নঃ১ > আপনার স্ত্রী, আপনি কেন যোগযোগের বেলায় এতো কঠোর হলেন? উত্তরঃ একদিনেতো হইনি! ছোট ছোট অনেক ঘটনার পরই এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে দেখতে চেয়েছিলাম, বিশ্বাসের বাস্তবতা ও গভীরতা কতদুর যায়।

প্রশ্নঃ২ আপনার প্লান কি ছিল তখন? >> আমার প্লানে এতো কঠোরতা ছিলনা! আমি ভাবছিলাম যেহেতু একটা ফোন চালু আছে, ও অন্য নাম্বার থেকে ট্রাই করবেই…. আর কিছু বকাজকা করে সব ঠিক করে দিব।

প্রশ্নঃ৩ মানুষকে খারাপের সুযোগ করে দিয়ে রিক্স কেন নিলেন? >> ওভার কনফিডেন্টের কারণে।

প্রশ্নঃ ৪ মানে? >> আমি এতোদিন ধরে ওর প্রতি এমন ধারনা ছিল যে, নকিয়া ১১০০ মডেল সেট দিয়ে যেমন ছবি তোলা যায় না, ফাংশন না থাকায় আমি ভেবেছিলাম ওর মধ্যে ও তেমন এতোটা নিচে নামার ফাংশন নেই

প্রশ্নঃ৫ এখন কি বিশ্বাস বা মানসিকতা? >> এখন বিশ্বাস যে, যে কেউ যে কোন সময় যেকোন কিছু করতে পারে, এমনকি খুন ও (অশ্রুসিক্ত….) প্রশ্নঃ৬ এখন প্লান কি? >> ওর ক্ষমা চাইবার কারনে নয় বরং আমার ভালবাসার প্রতি শ্রদ্ধা রাখবার জন্যই এখনো আছি জীবনে শুধু Ctrl z চাপতে ইচ্ছা করে ইচ্ছা করে, সব ভুলে কলেজ লাইফের মত একাকী জীবনে ফিরে যেতে (প্রায় অশ্রুসিক্ত….)

প্রশ্নঃ৭ এখন আপনাদের কি অবস্থা >> চলছে, তবে সব কিছুই এখন মনে হয় নাটকের অভিনয় ! আবেগের কোন কথাই সহ্য হয় না… এই বুযি চাপাবাজি আবার !!!!

এবার মেয়েটির কাছে আসা যাক, অনেক অনুরোধের পর…

প্রশ্নঃ১ কেন এমন হলো, এতোটা গড়ালো? >> আমি অন্য নাম্বার থেকে ট্রাই করছি দু এক বার হলেও। বেশী করি নাই জিদের বশে…

প্রশ্নঃ২ জহিরের কথা কোনদিন ও জানালেন না কেন? >> রাগ করবে তাই। ভেবেছিলাম আস্তে আস্তে জহিরের অধ্যায় এমনিতেই শেষ হয়ে যাবে।

প্রশ্নঃ৩ এজন্য একটা বারের জন্য ও তাকে নামটা বললেন না? >> কেন যে বলি নাই বুযতেছিনা।

প্রশ্নঃ৪ কি বুযলেন এতো কিছুর পর? >> ও যে আমাকে এতো ভালবাসতে পারে জানা ছিল না। এতোটা প্রগাঢ় ভাবে কোন দিন ই উপস্থাপন করে নাই (অশ্রুসিক্ত…) আমিই জগন্য… …

প্রশ্নঃ৫ আগের বিশ্বাস ফেরত পাবেন? >> পাওয়াটা অসম্ভব, তবুও চেষ্টা থাকবে।

প্রশ্নঃ৬ বোযার কি উপায় আপনি ঠিক হবেন?(অনেক সাহস করে) >> উপায় নাই, সময়ের অপেক্ষা।

পাঠকবৃন্দের কাছে গল্পটার শেষ পর্যন্ত দিতে পেরে ও অনেক দিন পর লিখতে পেরে ভাল লাগছে…। আমার উদ্দেশ্যঃ আগেই বলছি সত্য ঘটনাটি সকলের সতর্ক করার জন্য সংগৃহিত সতর্কিত হবেন।

অনুরোধঃ সবাই সকল সেক্টরে শেয়ার করবেন। বিশেষ করে ভালবাসার মানুষটির সাথে। চাইলে একটা নাটক ও দেখতে পারেন, রেদোয়ান রনির "উচ্চতর শারীরিক বিজ্ঞান" ।

ফলাফলঃ সতর্ক হতে পারবেন। এমন কিছু হতে নিলে এই গল্প মনে পড়ে গিয়ে সাবধান হতে পারবেন।

ধন্যবাদ, সকলে ভাল ও কলংকমুক্ত জীবন যাপন করুন এই কামনা রইলো।

এই লিংকটি শেয়ার করতে পারেন সকল সেক্টরে, জানাতে পারেন সত্য এই ঘটনাটি বাংলার মানুষের কাছে….

– Sent using Google Toolbar

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s