যাদের ABB তে জব দরকার, তারা এই নিয়মে চেষ্টা করে দেখতে পারেন

যাদের ABB তে জব দরকার, তারা এই নিয়মে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। ABB একটা বিশাল কোম্পানি, কারেন্টের জিনিসপত্র বানায়। সার্কিট ব্রেকারটা মনে হয় বাংলাদেশে বেশি চলে।

বিদেশে অনেক জায়গাতেই ABB এর কারখানা, অফিস ইত্যাদি আছে। জব পাওয়ার ক্ষেত্রে তাই ABB রে উপরের দিকেই রাখে মানুষ প্রায়োরিটিতে। এবিবিতে জব পাইতে হইলে ছবিতে দেওয়া নিয়মটা ফলো কইরা দেখতে পারেন।

abb me

গড মাস্ট বি ক্রেইজি ছবিটা দেখছেন? আফ্রিকার একটা উপজাতিদের বসতির উপর দিয়া একটা প্লেন উইড়া যাওয়ার সময় পাইলট একটা বিয়ার খায়া বোতলটা বাইরে ঢেল দিয়া ফালায়া দেয়। উপজাতিরা সেই বোতলটা খুঁইজা পায়া ভাবে, নিশ্চয়ই গড তাদের জন্য এই জিনিসটা হেভেন থেকে পাঠাইছে। কিন্তু বোতলটা দিয়া তারা কেমনে কি করবে জানে না। শুরু হয় কাইজ্জা, মারামারি, বোতলের নানাবিধ ব্যবহার অদ্ভুত ব্যবহার!

যারা যেই জিনিস ব্যবহার করার জন্য রেডি হয় নাই এখনো, তার হাতে সেই জিনিসটা আইসা পড়লে ডিজাস্ট্রাস ব্যাপার হইতে পারে। ফর এক্সাম্পল, এই এবিবি মি।

কিংবা মার্কা জাকারবার্গের বিয়ের ছবিতে বাঙালিদের কমেন্ট। বমি করতে ইচ্ছা হইলে দেইখা আসতে পারেন নিচের লিঙ্ক দুইটা, প্রথমটা জাকারবার্গের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজ, দ্বিতীয়টা বাংলাদেশের মজা লস নামের পেইজ।

আমি বলছি না যে, পুরো বাঙালি জাতি শুদ্ধা সবাই খারাপ। যেইটা বলতেছি যে, যারা কমেন্ট করতেছে তাদের বেশিরভাগই একটা নির্দিষ্ট এজ গ্রুপের, ক্লাস ফাইভ সিক্স থেকে শুরু করে ম্যাক্সিমাম ফার্স্ট ইয়ার পর্যন্ত (দুই একটা পারভার্টও আছে এই রেঞ্জের বাইরের)। এরা ফেসবুক কিংবা টেকনোলজি ব্যবহারের জন্য রেডি না। কিন্তু তাদের সবার হাতেই স্মার্টফোন। ইন্টারনেট তথা ফেসবুক যে পারপাসে তৈরি করা হয়েছিল, তারা সেটা জানে না, (গড মাস্ট বি ক্রেজির উপজাতিদের হাতে বোতলের মত) তাদের কাছে হল, “যার যত বেশি ফেসবুক ফ্রেন্ড, সে তত বেশি বস” (কুত্তা বিলাই সব অ্যাড করে, তারপর যখন সাসপিশাস বিহেভিয়ারের জন্য ফেসবুকের এলগরিদম যখন তাদের অ্যাড রিকোয়েস্ট পাঠানোর ক্ষমতা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্লক করে দেয়, তখন ফকিন্নির মত যেখানে সেখানে গিয়ে দুইডা ভিক্ষা দিবাইন…. সরি, AD ME, I AM BOLOG করতে থাকে। সেই সাথে জাকারবার্গের চৌদ্দ গুষ্টি তুলে গালি গালাজ, যেন জাকারবার্গ সাহেব একাই বসে বসে পৃথিবীর প্রতিটা ফেসবুক আইডিতে কে কি করতেছে, সব কিছু খেয়াল রাখেন।

চিন্তা করেন, এরা তেলাপিয়া মাছের মত পানির উপ্রে মুখ তুইলা এড মি এড মি করতেছে
চিন্তা করেন, এরা তেলাপিয়া মাছের মত পানির উপ্রে মুখ তুইলা এড মি এড মি করতেছে – এই অদ্ভুত ভিজুয়ালাইজেশন বন্ধু আসিফের মাথা থিকা বাইর হইছে

জাকারবার্গের ছবিতে উল্টাপাল্টা কমেন্ট করলে দেশের ভাবমূর্তির বারোটা বাজবে কি না বাজবে সেই চিন্তা করতেছেন? চিন্তা কইরেন না, জাকারবার্গ খুব অল্প বয়সে বিলিয়নিয়ার হইছে, ফেসবুকের কিছু আজেবাজে কমেন্টের জন্য সে নিশ্চয়ই ঘরের কোনায় বইসা হাঁটুতে মুখ গুইজ্জা কানতেছে না। ফেসবুক একটা কোম্পানি, প্রফিট এইখানে মূখ্য, কোন দেশের ভাবমূর্তি মূখ্য না। ট্রুথ টু বি টোল্ড, উই গাইজ আর ফার ফার স্মলার দ্যান উই থিংক উই আর টু দেম, এন্ড দে ডোন্ট গিভ এ শিট এবাউট ইউ এন্ড ইওর শিটি কমেন্টস। জাস্ট তারা আগে থেকেই জানত যে বাংলাদেশ নামের দেশটা খারাপ, তাদের পারসেপশনটা আরেকটু শক্ত হইলো এই ব্যাপারে। দ্যাটস ইট।

আরেকটা ব্যাপার না বলেই পারছি না, সেইটা হইতেছে, এই সব পোলাপানের এই অবস্থার জন্য দায়ী কে? আমি ১৪০% দোষ দেই তাদের বাপ মা কে। জিপিএ ৫ এর কুত্তা দৌড়ে দৌড়াইতে দৌড়াইতে মোরাল এডুকেশন বা নৈতিক শিক্ষাটুকু তারা বাপ মার কাছ থিকা পায় নাই। ভাল মন্দের তফাৎ করে ভালটা গ্রহণ করা আর মন্দটা থেকে দূরে থাকা, এই বেসিক নৈতিকতাটুকুও তাদের মাঝে নাই, যেইটা আগের দিনের একজন রিকশাওয়ালা কিংবা দিনমজুরের মাঝেও ছিল। এমন অবস্থা যে, জিপিএ ৫ না পাইলে কিংবা কোন কারণে একটা পরীক্ষা মিস হয়া গেলে তারা আত্মহত্যা করে। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করা কিংবা সেই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়ে এ প্লাস পেয়ে তারা বুক ফুলিয়ে সেটা বলে বেড়ায়।

buet vs 2014
ছবিটা বুয়েট ভার্সেস ২০১৪ ব্যাচ গ্যাঞ্জামের সময়ে একটা ইভেন্ট থেকে নেয়া। আমাদের দেশে তো গ্যাঞ্জামের শেষ নাই। তাই আমরা অনেকেই হয়তো এই গ্যাঞ্জামের কথা ভুলে গেছি

চিন্তা করেন, এই জেনারেশন যখন আর কিছু দিন পরে কর্মক্ষেত্রে ঢুকবে, তখন অবস্থাটা কি দাঁড়াবে! ঘুষ, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ইত্যাদি এখন অলরেডি নরমাল হয়ে গেছে (মাননীয় অর্থমন্ত্রী কিছুদিন আগেই ঘুষকে স্পিড মানি বলে বৈধতা দিয়েছেন), এরা এইসব অপরাধগুলোকে কোন পর্যায়ে নিয়ে যাবে, সেটা চিন্তাই করতে পারতেছি না এখনো।

বন্ধু মাহমুদ ফয়সাল আজকে একটা বিশাল হতাশার স্ট্যাটাস দিছে, নিচে কমেন্ট দেওয়ার জন্য বইসা ছিলাম যে এত হতাশার কিছু নাই। কথাটা হয়তো সত্যি না। ভাল জিনিসের সংখ্যা অনেক, লিটারেলি, কিন্তু খারাপ জিনিসের সংখ্যা এতটাই সিগনিফিক্যান্টলি বেশি যে সেইগুলারে ছাপায়া ভাল গুলা লাইমলাইটে আসতেছে না। এখনো মানুষ আশাবাদী, তবে সেই আশাবাদী মানুষের সংখ্যাও আস্তে আস্তে কইমা আসতেছে।😦

টাইটেলটা মিসলিডিং😦

এত প্যাঁচাল পারার ইচ্ছা ছিল না, জাস্ট প্রথম ছবিটা শেয়ার করতে চাইছিলাম। পরে ইয়াত্তো বড় গোবর ছাইড়া ফেলছি যে টাইটেলটা আর মিলতেছে না এখন।😦

সরি😀

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s