মোস্তফা জব্বার যেভাবে প্রোগ্রামিং না জেনেও বিজয় কিবোর্ড তৈরি করলেন

জনাব মোস্তফা জব্বারের কপিরাইট ক্লেইমের জন্য গুগল আজ প্লেস্টোর থেকে রিদমিক কিবোর্ড সরিয়ে দিয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের খুশি প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ ছিল, রিদমিক কিবোর্ড নাকি বিজয় কিবোর্ড থেকে চুরি করা।

https://www.facebook.com/mustafajabbar2/posts/1074860975864753
https://www.facebook.com/mustafajabbar2/posts/1074860975864753

কিন্তু যে বিজয় সফটওয়্যার নিয়ে তিনি এত্ত জলঘোলা করেন, সেটাও তার নিজের তৈরি নয়। বিজ্ঞান না পড়েও অবশ্য আজকাল শুধু বিজ্ঞানমনষ্কই না, পুরোদস্তুর বিজ্ঞানী হয়ে যাওয়া যায়।

biggani

https://www.facebook.com/mustafajabbar2/about
https://www.facebook.com/mustafajabbar2/about

সম্ভবত বিজয়ের একটা ভার্সনও তিনি নিজে তৈরি করেন নি। বিজয় ২০০০ সফটওয়্যার চালু থাকা অবস্থায় টাস্কবারের বিজয়ের আইকনের উপর রাইট ক্লিক করে About সিলেক্ট করে Ctrl+Shift+P চেপে ধরে বিজয়ের লোগোর উপরে ক্লিক করলে বিজয় সফটওয়্যারের আসল ডেভেলপারের নাম চলে আসে।

bijoy.jpg_480_480_0_64000_0_1_0

pappana

মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা নামের একজন বুয়েটের ছাত্র বিজয় তৈরি করেছিলেন। কিন্তু তার সেই কাজের জন্য তাকে ক্রেডিট দেয়া দূরে থাক, তার পাওনাটা পর্যন্ত পরিশোধ করেন নি মোস্তফা জব্বার। বরং উল্টো পুরো ক্রেডিট নিজে নিয়েছেন।

bijoy 2000 pro

সেই পাপ্পানাকে জব্বার সাহেব আটকে রাখতে পারেন নি। তিনি এখন মাইক্রোসফটে কর্মরত।

ragib pappana
সেই পাপ্পানাকে জব্বার সাহেব আটকে রাখতে পারেন নি। http://www.somewhereinblog.net/blog/rahenblog/28746956

rahenblog_1195745327_1-bijoy-niye-bitorko

 সোর্সঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/rahenblog/28746956

এটা অবশ্য অনেক পুরনো খবর। নিজেই টেস্ট করে ভেরিফাই করেছিলাম অনেক আগে। কিন্তু এখন বিজয় ২০০০ এর সিডি কোথায় পাব? আর ইন্টারনেটে হাজার খুঁজেও সেই প্রাগৈতিহাসিক আমলের সফটওয়্যারটি খুঁজে পেলাম না। পেলে নিজের পিসিতেই আবারো ইন্সটল করে সেটা দেখানো যেত। আপতত ইন্টারনেটে পাওয়া ভিডিও আর ছবিটাই দিয়ে দিলাম।

এই ভিডিওটাতে দেখুন বিস্তারিতঃ

তবে সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স বলে একটা কথা আছে।

বিজয়ের লেআউট পিডিএফ মোডে সেভ করতে গেলে অথারের নাম আসে “পাপ্পানা”। বিজয় কিংবা আনন্দ কিংবা মোস্তফা জব্বার নয়। কেন?

omarshehabblog_1246191838_1-pappana(2)

pappana.pdf

সোর্সঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/omarshehabblog/28970862

বিজয়ের প্রথম ভার্সন নিয়েও বিতর্কের অবকাশ আছে।

munir

সোর্সঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/skynet297/29542861

এছাড়া বিজয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে গ্রাহকদের তথ্য চুরির অভিযোগও এসেছে মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে। বিজয় একুশে সফটওয়্যারের ভেতরে TR/Spy.Gen নামের স্পাইওয়্যার পাওয়া গেছে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য তার সাম্প্রতিকতম সফটওয়্যার ‘বিজয় একুশে’ এবং ‘বিজয় একাত্তরে’ এই ধরনের কোডের খোঁজ মিলেছে। বিজয় সফটওয়্যারের উল্লেখিত দুটি সংস্করণেই TR/Spy.Gen নামের একটি ট্রোজানের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। সুপরিচিত এভিরা অ্যান্টিভাইরাস তাদের ভাইরাস ল্যাবের বিবরণী তে জানাচ্ছে, ট্রোজানটির কাজই হচ্ছে ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করা।

সোর্সঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/Fusion5/29550381

পাপ্পানার ডেভেলপ করা বিজয় ২০০০ আর বিজয় ২০০০ প্রো এর মাঝে কিন্তু কোন ট্রোজান/ভাইরাস/স্পাইওয়্যার পাওয়া যায় নি। পাওয়া গেছে তার পরের ভার্সনগুলোতে।

অ্যান্ড্রয়েডের কিবোর্ড অ্যাপগুলি কিন্তু ভয়ংকর জিনিস। এরা চাইলে রিমোট কি-লগার হিসেবে কাজ করতে পারে। মানে, সেই কিবোর্ড দিয়ে টাইপ করা আপনার প্রতিটি অক্ষর রেকর্ড করে জেনে নিতে পারে আপনার সব পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সহ সব সেনসিটিভ ইনফরমেশন। তারপর সেটা গোপনে পাঠিয়ে দিতে পারে যেখানে খুশি। রিদমিক কিংবা মায়াবী কিবোর্ড হয়তো এরকম আকাম করে না, তবুও এক্সট্রা প্রিকশন হিসেবে আমি যে কোন সেনসিটিভ ইনফরমেশন (পাসওয়ার্ড, ক্রডিট কার্ড নাম্বার) টাইপ করার সময় মোবাইলে ডিফল্ট কিবোর্ড ব্যবহার করি, কোন থার্ড পার্টি কিবোর্ড নয়।

এবার চিন্তা করুন বিজয় কিবোর্ডের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের কথা। এখানে দুইটা বিষয় হতে পারে।

প্রথমত, জব্বার সাহেব নিজে বিজয়ের প্রথম ভার্সনটি ডেভেলপ না করলেও আস্তে আস্তে প্রোগ্রামিং শিখে নিয়েছেন। তারপর বিজয় একুশে ও বিজয় একাত্তরের ভেতরে ট্রোজান বা স্পাইওয়্যার ঢুকিয়ে দিয়েছেন। তাহলে বিজয়ের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনেও যে তিনি এই কাজ করেন নি তার গ্যারান্টি কোথায়?

দ্বিতীয়ত, জব্বার সাহেব টেরই পান নি যে তার তৈরি করা সফটওয়্যারের ভেতরে ট্রোজান বা স্পাইওয়্যার আছে। তাহলে এরকম একজনের তৈরি করা সফটওয়্যারটি আপনার জন্য কতটুকু নিরাপদ?

আর পাপ্পানা সাহেবের তৈরি করা ভার্সনটি ছিল Windows এর জন্য তৈরি করা বিজয় ২০০০। আসুন এবার দেখি লিনাক্সের জন্য তৈরি করা বিজয় একুশে ভার্সনটি মোস্তফা জব্বার সাহেব তৈরি করেছেন কি না। উত্তর হল, না। এটাও তিনি তৈরি করেন নি। বরং তিনি ওপেন সোর্স সফটওয়্যারগুলো থেকে কোড কপি করে নিজের নাম বসিয়ে দিয়ে বাজারে ছেড়ে ব্যবসা করছেন।

বিজয় একুশের লিনাক্স ভার্সনগুলো তার নিজের তৈরি নয়। কোড পুরোপুরি কপি-পেস্ট করে শুধু ডেভেলপার এর নাম সরিয়ে দিয়ে নিজের নামটি বসিয়ে দিয়েছেন মোস্তফা জব্বার সাহেব। Unicode এবং ANSI দুটো ভার্সনেই।

বিজয়একুশে ডট নেট ওয়েব সাইট  (http://www.bijoyekushe.net/html/ekuLinuxDownload.html) ফলাও করে ঘোষণা দেয়া হয় “আনন্দ কম্পিউটার্স উবুন্টুর জন্য বিজয় বাংলা সফটওয়্যার-এর নতুন সংস্করণ প্রস্তুত করেছে“। জব্বার সাহেবের কোম্পানির নাম আনন্দ কম্পিউটার্স।

bijoy ubuntu

আসুন দেখি কি আছে সেটায়। সেখান থেকে ডাউনলোড করা বিজয় একুশের লিনাক্স ইন্সটলার (http://www.bijoyekushe.net/html/soft/LinuxInstaller.rar) ফাইলটা ওপেন করে ভেতরের bn-bijoyClassic.mim ফাইলটা নোটপ্যাড দিয়ে ওপেন করে দেখুন।

তারপর লিনাক্সের ওপেন সোর্স m17n প্রজেক্টের bn-unijoy.mim ফাইলটা ডাউনলোড করুন। লিংক নিচে।

https://stuff.mit.edu/afs/athena/system/amd64_deb50/os/usr/share/m17n/bn-unijoy.mim

http://bazaar.launchpad.net/~ubuntu-branches/ubuntu/maverick/m17n-db/maverick/download/head%3A/bnunijoy.mim-20090626015523-mx0dzvx3q94d1m6q-670/bn-unijoy.mim

এবার এই ফাইলটাও নোটপ্যাডে ওপেন করে নিজের চোখেই দেখে নিন। শুধু মাত্র প্রজেক্টের নাম বদলে “বিজয়” করেছেন। খালি নাম, ডেস্ক্রিপশন আর ছাড়া আর কোন পার্থক্য নেই, এমনকি লাইন কমেন্ট বা প্যারার স্পেসেও কোন তফাৎ নেই! কি মিল, হোয়াট এ কোয়েইনসিডেন্স!

অনিরুদ্ধ অধিকারী (http://www.adhikary.net/) নামের একজন প্রোগ্রামার “রক্তেলেখা” নামে একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলেন, পুরাতন নিয়মে বাংলা লেখার জন্য, যাতে যারা বিজয়ে অভ্যস্ত, তারাও যাতে বিজয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। পুরো প্রজেক্টটা ছিল ওপেন সোর্স এবং ফ্রি। মোস্তফা জব্বার সাহেবের হুমকিতে সেই “রক্তেলেখা” প্রজেক্টও বন্ধ হয়ে যায় (http://forum.projanmo.com/topic21021.html)।

কিন্তু জব্বার সাহেবের সেই bn-bijoyClassic.mim ফাইলের সাথে “রক্তেলেখা” প্রজেক্টের bn-roktelekha.mim ফাইলের মাঝে তফাৎ শুধু প্রজেক্টের নাম “রক্তেলেখা” কেটে দিয়ে “বিজয়” লেখা হয়েছে, আর ডেভেলপার অনিরুদ্ধ অধিকারীর (https://www.facebook.com/tuxboy) নাম, ডেসক্রিপশন সবকিছু কেটে দেয়া হয়েছে। diff হলো লিনাক্সের একটা কমান্ড যেটা দিয়ে দুইটা ফাইলের মাঝে কি কি ডিফারেন্স আছে, সেটা দেখা যায়। যেটা মুছে দেয়া হয়েছে সেটার আগে মাইনাস (-) চিহ্ন, আর যেটা যোগ করা হয়েছে, সেটার আগে প্লাস (+) চিহ্ন দেখা যাবে। diff দিয়ে roktelekha আর bijoyClassic ফাইলের মাঝের তুলনা দেখে নিন নিচের ছবিতে।

diff দিয়ে roktelekha আর bijoyClassic ফাইলের মাঝের তুলনা
diff দিয়ে roktelekha আর bijoyClassic ফাইলের মাঝের তুলনা

বিস্তারিতঃ http://forum.projanmo.com/topic33330.html

বিজয় প্রধানত উইন্ডোজ ও ম্যাকের জন্য রিলিজ করা হয়েছিল। লিনাক্সের জন্য রিলিজ করা বিজয় এর bn-bijoy.mim ফাইলের সাথে ওপেন সোর্স m17n প্রজেক্টের bn-unijoy.mim ফাইলের তফাৎ খুবই সামান্য। m17n প্রজেক্টটার জিপিএল লাইসেন্সের সম্পুর্ন চিহ্নই গায়েব করা হয়েছে, বিসর্গঃ ও খন্ড-ত (ৎ) বাটন দুটো অদল বদল করা হয়েছে আর তারপর ইউনিজয়ের জায়গায় বিজয় নামটি লিখে দেওয়া হয়েছে।

বিস্তারিতঃ http://forum.projanmo.com/topic20999.html

জব্বার সাহেব যে অভিযোগে রিদমিক কিবোর্ড কিংবা মায়াবী কিবোর্ড কিংবা অভ্র কিবোর্ডের দিকে আঙুল তুলেছেন, সেই একই অভিযোগ কি m17n প্রজেক্টের ডেভেলপাররা করতে পারে না জব্বার সাহেবের বিরুদ্ধে? জব্বার সাহেব নিজে জিপিএল লাইসেন্স ভঙ্গ করে কেন অন্যদেরকে লাইসেন্সের ভয় দেখাচ্ছেন?

এক্ষেত্রে জব্বার সাহেবের পক্ষে একটাই যুক্তি দেয়া যায় যে, পুরোপুরি তো কপি করা হয় নি, বিসর্গঃ ও খন্ড-ত (ৎ) বাটন দুটোতে তফাৎ আছে, তাই এটা জিপিএল লাইসেন্স ভঙ্গ করে নি। (সরাসরি চুরি বলতে বাধছে, তাই বারবার লাইসেন্সের কথা টানতে হচ্ছে, স্যরি)।

তাহলে সেই একই যুক্তিতে তো বিজয় আর ইউনিজয়ে আকাশ পাতাল তফাৎ, কারণ মিনিমাম ১১ টা বাটনে তফাৎ আছে বিজয় আর ইউনিজয়ে। আর সবচেয়ে বড় তফাৎ হল, বিজয়ে লেখার সময় হ্রস্ব-ই কার (ি), এ-কার (ে) এসব ব্যঞ্জণবর্ণের আগে লিখতে হয় নরমালি লেখার মত। আর ইউনিজয়ে সব ধরনের কার ব্যঞ্জণবর্ণের পরে লিখতে হয়। যেমনঃ “জোনাকি” শব্দটি লিখতে হলে বিজয় কিবোর্ডে আপনাকে চাপতে হবে cufbfdj (সাতটি কি স্ট্রোক) আর ইউনিজয়ে uxbfjd (ছয়টি কি স্ট্রোক)।

bijoy and unijoy

সবার শেষে বলি, বিজয় আসে প্রথম ১৯৮৭ সালে। জব্বার সাহেব কলকাতার দেবেন্দ জোশী নামের একজন প্রোগ্রামারকে দিয়ে বিজয়ের ইন্টারফেস ডেভেলপ করান। এরপর থেকে দিনে দিনে বহু প্রোগ্রামার ও ডিজাইনার কাজ করেছেন বিজয়ে। লিস্ট পাওয়া যাবে এই লিংকে। প্রতিটা ক্ষেত্রেই জব্বার সাহেব পুরো ক্রেডিট নিজে নিয়েছেন।

বিজয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: http://bangla.bdnews24.com/tech/article715227.bdnews

আবালায়তনের এই পোস্টের ৫৮ নম্বর কমেন্টে অভ্র এর ডেভেলপার মেহদী হাসান খান বলেছেনঃ

পাপ্পানা ভাই কোনদিনই বিজয় কীবোর্ড লেআউটের ডিজাইন করেননি। বিজয় এসেছে ১৯৮৭ সালে, প্রথমে ম্যাকের জন্য, লেআউট মোস্তাফা জব্বারের ডিজাইন করা, প্রোগ্রামার ছিলেন জোশী নামে ভারতীয় একজন। ২০০০ সালের দিকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যাপক পরিবর্তন আসায় কোড নতুন করে লেখার দরকার হয়, তখন পাপ্পানা ভাই কাজটা নেন। তার বানানো বিজয় ২০০০-কেই শুধু খোলস পালটে আরো ৩ বছর বিজয় ২০০৩ নামে চালানো হয়। বিজয় ২০০৪ থেকে ২০১০ পর্যন্ত কাজ আরেকজনের করা (অনুমতি না নিয়ে তার নাম বলতে চাচ্ছি না)।

মোস্তাফা জব্বারের দাবী অনুযায়ী  বিজয় লেআউটের ডিজাইনার যদি তিনিই হন, আমি বাজি ধরতে বলতে পারি – এই কাজ করার মত টেকনিকাল দক্ষতা তার আজ পর্যন্ত হয়নি। আপনার সিমুলেশনের রেজাল্ট যদি বিজয়ের মত হয়, সেটা হয় কাকতাল, নাহয় অ্যানালাইজ করার মত পর্যাপ্ত ডাটা আপনি ব্যবহার করেননি, নয়তো বিজয়ের লেআউট মোস্তাফা জব্বারের করা না।

জব্বার সাহেব কখনোই দাবী করেন নি যে ডেভেলপার তিনি নিজে। কিংবা লেআউটের ডিজাইনারও তিনি নিজে। সম্ভবত প্রতিটা ক্ষেত্রেই তিনি অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে ক্রেডিট পুরোটা নিজে নিয়ে নেন। এবং নিজেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচার করতে ভালবাসেন। দেশের আইটি সেক্টরের বহু পদে আসীন তিনি বাংলায় অনার্স ডিগ্রি নিয়ে।এই পোস্টে এই বিষয়ে অনেক আলোচনা আছে। http://forum.projanmo.com/topic11445.html

এই জারিজুরি ফাঁস হবার পর তাই সেই হতাশা তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফুটে ওঠে।

shomoy

আমরা বন্ধু ব্লগের এই পোস্টের আলোচনা গুলা ইন্টারেস্টিং! http://www.amrabondhu.com/lokenbosh/993

একেবারে শেষ কথা বলি। মাইক্রোসফট ১৯৯৯-২০০০ এর দিকে বাংলাদেশে এসেছিল বাংলা সাপোর্ট আর কিবোর্ড যোগ করার জন্য। তখন সরকারী অফিসে লেখনী আর মুনীর কিবোর্ড ব্যবহৃত হত। সেটাই হয়তো মাইক্রোসফট নিয়ে নিত, কিন্তু মোস্তফা জব্বারের হস্তক্ষেপে সেটা বন্ধ হয়। কারণ লেখনী কিবোর্ড কিংবা মুনীর কিবোর্ড যদি অফিশিয়ালি মাইক্রোসফট উইন্ডোজে যুক্ত হত, তাহলে বিজয়ের বাজার বন্ধ হয়ে যেত।

লাস্ট লিংকটার ৩৪ নম্বর কমেন্টে সাঈদ নামের আরেকজন সেই একই কথা বলেছেন।

microsoft bangla

মোস্তফা জব্বারের ষড়যন্ত্র সেবার সফল হলেও ব্যর্থ হয় অভ্র, মায়াবী আর রিদমিকের জন্য। না হলে হয়তো এখনো বাংলা সাইট গুলোর অবস্থা এই বিজয়একুশে ডট নেট এর মতই থাকতো।

font missing

4 Comments Add yours

  1. চমৎকার।
    পুরান কথা হৈলেও নতুন প্রজন্মের ইতিহাস জানানো দরকার।

    Like

  2. H. Kabir says:

    I had to shift from Munir to Bijoy. That was a very tough job for me but there was no other option. Because only bijoy was available at that time (1993). I had to forget my jet speed in Munir and get abc in Bijoy. Now I am a bit trouble again in Bijoy and Unijoy. Ha ha.

    Like

    1. uglyduckblog says:

      I feel the samee for Avro Phonetic vs Unijoy. Migration from Bijoy to Unijoy was not very tough as most of the keys are the same.

      Btw, ever heard of Nobobangla?

      Like

  3. Reblogged this on রায়হান মাহমুদ and commented:
    প্রজন্ম যা জানে না….

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s